অ্যামাইটোসিস ।। প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন ।। Amitosis

গ্রিক শব্দ a অর্থ না, mito অর্থ সূতা এবং osis অর্থ দশা নিয়ে Amitosis শব্দটি গঠিত। যে প্রক্রিয়ায় একটি কোষ কোন জটিল মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি দুইটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস বলে। ১৮৮২ সালে ওয়াল্টার ফ্লেমিং (Walter Flemming) অ্যামাইটোসিস শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। ১৯৫৫ সালে বিজ্ঞানী রিমাক (Remak) সর্বপ্রথম মুরগির ভ্রুণের লোহিত রক্তকণিকায় অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রত্যক্ষ করেন। ব্যাকটেরিয়া, ঈস্ট, অ্যামিবা, নস্টক, মেরুদন্ডী প্রাণীর তরুণাস্থি, ভ্রুণঝিল্লি, বীজের এন্ডোস্পার্ম প্রভৃতি কোষে অ্যামাইটোসিস ঘটে।

 

অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া (Amitosis Process)ঃ অ্যামাইটোসিসের শুরুতে কোষ খাদ্য গ্রহণ করে আকারে বড় হয়। এর নিউক্লিয়াসও বড় হয়। নিউক্লিয়াসটি বৃদ্ধি পেয়ে ডাম্বেলের মতো আকার ধারণ করে। কোষের সাইটোপ্লাজম ভিতরের দিকে ভাঁজ হয়ে যায়। এরপর নিউক্লিয়াসটি দুটি খন্ডে পরিনত হয়। সাইটোপ্লাজমের ভাঁজ আরও ভিতরে প্রবেশ করে। পরে সাইটোপ্লাজম নিউক্লিয়াসসহ দুটি কোষে পরিনত হয়

 

অ্যামাইটোসিসের তাৎপর্য

১। অ্যামাইটোসিস হলো সরল কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া।

২। এই প্রক্রিয়া থেকে জটিল ও উন্নত কোষ বিভাজনের উৎপত্তি হয়েছে।

৩। ইহা দ্রুত কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

৪। নিম্নশ্রেণীর জীব এই পদ্ধতিতে সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *