১। দন্ডাকার ভাইরাসঃ এদের আকার অনেকটা দন্ডের মতো। এই ভাইরাসের দৈর্ঘ্য ৩০০ nm এবং প্রস্থ ১৮ nm । যেমন- টোবাকো মোজাইক ভাইরাস, মাম্পস ভাইরাস, আলফালফা ভাইরাস প্রভৃতি।
২। গোলাকার ভাইরাসঃ এসব ভাইরাস অনেকটা গোলাকার। এদের ব্যাস ১০-২৫০ nm । যেমন- পোলিও ভাইরাস, ডেঙ্গী ভাইরাস, ফ্ল্যাভি ভাইরাস, টমেটোর বুশিস্ট্যান্ট ভাইরাস, করোনা ভাইরাস, HIV, TGV, TIV প্রভৃতি।
৩। ঘনক্ষেত্রাকার (Cubical) ভাইরাস ঃ এ সব ভাইরাস দেখতে ঘনক্ষেত্রাকার। এদের আয়তন ১০০-৩৫০ nm । যেমন- ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস, হার্পিস ভাইরাস, আঁচিল ভাইরাস, অ্যাডিনোভাইরাস প্রভৃতি।
৪। ব্যাঙাচি আকার ভাইরাসঃ এ সব ভাইরাস ব্যাঙাচির মতো মাথা ও লেজ যুক্ত। এদের মস্তক 95×65 nm এবং লেজ 110×25 nm । যেমন- T2,T4,T6,T8 প্রভৃতি।
৫। ডিম্বাকার ভাইরাসঃ এসব ভাইরাস দেখতে ডিমের মতো। যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস।
৬। সূত্রাকার ভাইরাসঃ এরা দেখতে সরু সূতার মতো। যেমন- ভুট্রার Dwarf ভাইরাস, মটর গাছের স্ট্রিক ভাইরাস।
৭। সিলিন্ড্রিক্যাল ভাইরাসঃ এরা দেখতে সিলিন্ডারের মতো। যেমন- ইবোলা ভাইরাস, মটরের স্ট্রিক ভাইরাস প্রভৃতি।
৮। বুলেটাকার ভাইরাসঃ এই ভাইরাস দেখতে বুলেটের মতো। যেমন- র্যাবডোভাইরাস।