যেসব অঙ্গ পরিবেশ থেকে বিভিন্ন উদ্দীপনা গ্রহণ করে স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে তাদেরকে সংবেদী অঙ্গ বা জ্ঞানেন্দ্রিয় বলে। ঘাসফড়িং এর সংবেদী অঙ্গগুলো হলো–
১। আলোক সংবেদী অঙ্গঃ ঘাসফড়িং–এর পুঞ্জাক্ষি ও ওসেলাস হলো আলোক সংবেদী অঙ্গ। পুঞ্জাক্ষিতে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। ওসেলাস আলোর তীব্রতা অনুধাবন করে।
২। তাপ সংবেদী অঙ্গঃ ঘাসফড়িং–এর প্লান্টুলি প্যাড এবং রোম হলো তাপ সংবেদী অঙ্গ। প্লান্টুলি প্যাড পায়ের প্রথম তিনটি টার্সাসের গোড়ায় থাকে। অ্যান্টেনায় রোম থাকে।
৩। শ্রবণ সংবেদী অঙ্গঃ টেমপেনিক পর্দা এবং পায়ু সারকির রোম হলো ঘাসফড়িং–এর শ্রবণ অঙ্গ। টেমপেনিক পর্দা প্রথম উদরীয় খন্ডকের দুপাশে থাকে।
৪। স্বাদ সংবেদী অঙ্গঃ ম্যাক্সিলারী পাল্প এবং ল্যাবিয়ামের রোম হলো ঘাসফড়িং–এর স্বাদ অঙ্গ। ইহা উপযুক্ত খাদ্য বাছাই করে।
৫। গন্ধ সংবেদী অঙ্গঃ অ্যান্টেনার কিছু রোম স্বাদ অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
৬। স্পর্শ সংবেদী অঙ্গঃ অ্যান্টেনা, পাল্প, পায়ু সারকি এবং পায়ের রোম হলো স্পর্শ অঙ্গ।
সংবেদী অঙ্গ হলো ত্বকের রুপান্তরিত কোষ বা সেনসিলি। প্রতিটি সেনসিলিতে একটি সংবেদী কোষ, একটি ট্রাইকোজেন কোষ এবং কয়েকটি টর্মোজেন কোষ থাকে। স্বাদ, গন্ধ ও স্পর্শ সংবেদী অঙ্গে সেনসিলা একক ভাবে থাকে। তাপ ও শব্দ সংবেদী অঙ্গে সেনসিলা গুচ্ছাকারে অবস্থান করে।