(i) পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধঃ ব্যাকটেরিয়া পরিবেশের জৈব বর্জ্যকে ভেঙ্গে সরল উপাদানে পরিনত করে। জটিল উপাদানকে জারিত করে পুনঃব্যবহার উপযোগী করে তুলে। এ কারণে ব্যাকটেরিয়াকে প্রাকৃতিক ঝাড়–দার বলা হয়। Pseudomonas, Nocardia, Mycobacterium প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া পেট্রোলিয়াম বর্জ্যকে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে সরল উপাদানে পরিনত করে।
(ii) পয়ঃপ্রণালীর সুষ্ঠ ব্যবস্থাঃ ব্যাকটেরিয়া জৈব বর্জ্যকে দ্রæত তরলে রুপান্তরিত করে পয়ঃপ্রণালীকে সুষ্ঠ রাখে। Zooglea ramigera ব্যাকটেরিয়া জৈব বর্জ্য রুপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
(iii) তেল নিস্কাশনঃ সমুদ্রের পানিতে ভাসমান তেল অপসারণে তেল খাদক ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়। Pseudomonas aeruginosa হলো তেল খাদক ব্যাকটেরিয়া।
(iv)) জৈবিক নিয়ন্ত্রণেঃ ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের শূককীট দমনে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়।