১। শ্বসন অঙ্গঃ ফুসফুস প্রাণীর প্রধান শ্বসন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
২। গ্যাসীয় বিনিময়ঃ ফুসফুসের অ্যালভিওলাস গ্যাসের বিনিময় ঘটায়।
৩। CO2 নির্গমনঃ ইহা CO2 নির্গত করে।
৪। রাসায়নিক পদার্থ সংশ্লেষঃ ফুসফুসে প্রোটিন, শর্করা ও ফ্যাট এর সংশ্লেষ ঘটে।
৫। রাসায়নিক পদার্থ নির্গতঃ ফুসফুসীয় কলা ব্রাডিকিনিন ও প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সংশ্লেষ ও নির্গত করে।
৬। শব্দ সৃষ্টিঃ ইহা শব্দ সৃষ্টিতে অংশ গ্রহণ করে।
৭। রাসায়নিক পদার্থ সংরক্ষণঃ ফুসফুসীয় কলা হিস্টামিন ও সেরাটোনিন সংরক্ষণ এবং নির্গত করে।
৮। হরমোনকে নিস্ক্রিঃ ইহা অ্যাড্রেনালিন ও নরঅ্যাড্রেনালিন হরমোনকে নিস্ক্রিয় করে।
৯। পানি ও তাপ সমতাঃ ইহা দেহে তাপমাত্রা ও পানি সমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
১০। রাসায়নিক ক্ষরণঃ ইহা ইমিউনোগ্লোবিন ক্ষরণ করে এবং অ্যানজিওটেনসিন–১ কে অ্যানজিওটেনসিন–২ এ রুপান্তরিত করে।
১১। হোমিওস্ট্যাসিসঃ ইহা দেহের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ বা হোমিওস্ট্যাসিস অবস্থা বজায় রাখে।
১২। উদ্বায়ী গ্যাসঃ ইহা ক্লোরোফর্ম, ইথার, অ্যামোনিয়া প্রভৃতি নিষ্কাশন করে।
১৩। দুষিত পদার্থ প্রবেশ রোধঃ বাতাসের জীবাণু ও দুষিত পদার্থ দেহে প্রবেশে বাঁধা দেয়।