১। DNA জীবের জৈবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কাজ করে। ইহা জৈবিক ও শারীরবৃত্তীয় কাজের মাধ্যমে জীবের চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
২। DNA জীবের জৈবিক সংকেত প্রেরক হিসেবে কাজ করে। ইহা জীবের বংশগত সংকেত প্রদান করে। বংশগত সংকেত জীবের চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশক হিসেবে কাজ করে।
৩। DNA নির্ভুল প্রতিলিপি সৃষ্টি করে। তাই রেপ্লিকেশন প্রক্রিয়ায় অনুরুপ DNA সৃষ্টি হয়। নতুন DNA অণুতে বংশগত তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে।
৪। DNA জীবের বংশগতির আণবিক বা ভৌত ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ইহা জীবের বংশগতির ধারক ও বাহক। জীবের সকল বৈশিষ্ট্য বহন করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। তাই শুধুমাত্র DNA জীবের চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
৫। DNA জীবের সকল বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়। ইহা জীবের প্রকরণ, মিউটেশন ও বিবর্তন ঘটায়। ফলে বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটে।
৬। মানবদেহের DNA প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১০,০০,০০০ বার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সৌভাগ্যক্রমে এসব ক্ষতি মেরামত হয়ে যায়। মেরামত প্রক্রিয়া বিঘিœত হলে ক্যান্সার সৃষ্টি হয়।