লিপিডের বৈশিষ্ট্য

১। লিপিড বর্ণহীন, স্বাদহীন ও গন্ধহীন পদার্থ।
২। ইহা পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু জৈব দ্রাবকে (ইথার, ক্লোরোফর্ম, বেনজিন, ইথাইল অ্যালকোহল, কার্বনটেট্রাক্লোরাইড, হেক্সোন) দ্রবণীয়।
৩। এরা ফ্যাটি এসিডের এস্টার হিসেবে কাজ করে।
৪। আণবিক ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে এর গলনাঙ্ক বৃদ্ধি পায় (এর নির্দিষ্ট কোন গলনাঙ্ক নাই)।
৫। একে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে ফ্যাটি এসিড ও গিøসারল পাওয়া যায়।
৬। লিপিডের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১ এর কম তাই পানিতে ভাসে। লিপিডের আপেক্ষিক গুরুত্ব ০.৮৬।
৭। এর প্রকৃতি হাইড্রোফোবিক বা অ্যাম্ফিফিলিক ধরনের।
৮। এরা ক্ষুদ্র এবং আণবিক ওজন ১০,০০০ ডাল্টন এর কম।
৯। সাধারণ তাপমাত্রায় তরল লিপিডকে তৈল এবং অর্ধতরল বা কঠিন লিপিডকে চর্বি বলে।
১০। ইহা Sudan-III এর সাথে বিক্রিয়া করে লাল বর্ণ ধারণ করে।
১১। ইহা পানিতে সমসত্ত¡ভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
১২। ক্ষারের উপস্থিতিতে লিপিডকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সাবান উৎপন্ন হয়।
১৩। লিপিড সাধারণ তাপমাত্রায় তরল ও কঠিন অবস্থায় থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *