১। ট্রান্সক্রিপশনঃ ট্রান্সক্রিপশনের জন্য রেপ্লিকেশনের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
২। বংশগত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরঃ রেপ্লিকেশন জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো বংশ পরস্পরায় স্থানান্তরে সহায়ক।
৩। জিনের নতুন বিন্যাসঃ রেপ্লিকেশনের সময় DNA অণুতে জিনের নতুন বিন্যাস ঘটে।
৪। জেনেটিক ভ্যারিয়েশনঃ রেপ্লিকেশন জীবদেহে জেনেটিক ভ্যারিয়েশন সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
৫। বৈশিষ্ট্য প্রকাশঃ জীবের সকল বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়।
৬। জৈবিক সংকেতঃ রেপ্লিকেশন জীবদেহে জৈবিক সংকেত প্রেরক হিসেবে কাজ করে।
৭। নির্ভুল প্রতিলিপিঃ রেপ্লিকেশনের মাধ্যমে নির্ভুল প্রতিলিপি সৃষ্টি হয়।
৮। প্রোটিন সংশ্লেষণঃ রেপ্লিকেশন কোষের জন্য নির্দিষ্ট প্রোটিন সংশ্লেষণে ভূমিকা রাখে।
৯। মিউটেশনঃ মিউটেশনের মাধ্যমে জীবের গঠনের পরিবর্তন ঘটায়।
১০। জেনেটিক ম্যাপ তৈরীঃ ক্রোমোসোম ম্যাপ তৈরীতে এর ভুমিকা রয়েছে।
১১। জিন তাত্ত্বি¡ক গবেষণায়ঃ জিন তাত্ত্বি¡ক গবেষণায় ভূমিকা রয়েছে।
১২। RNA সৃষ্টিঃ DNA থেকে সকল প্রকার RNA সৃষ্টি হয়।
১৩। রোগ সৃষ্টিঃ Mismatch repair (MMR) এর কারণে মানুষের কোলন ক্যান্সার (colo rectal cancer-CRC) এবং চর্মরোগ (Xerodesma Pigmentosum) হয়ে থাকে।