আবৃতবীজী উদ্ভিদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

আবৃতবীজী উদ্ভিদের মধ্যে প্রায় ১০০০টি প্রজাতির অর্থনৈতিক ভূমিকা রয়েছে। এদের মধ্যে ১০০টি প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক গুরুত্ব রয়েছে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১। খাদ্য হিসেবেঃ মানুষের ৮০% খাদ্য চাহিদা পুরণ করে মাত্র ২০ ধরনের আবৃতবীজী উদ্ভিদ। ১৫টি প্রজাতি সারা পৃথিবীতে প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। এদের মধ্যে ৪টি প্রজাতি ধান, গম, ভূট্রা ও আখ মানুষের ৬৩% শর্করার চাহিদা পুরণ করে। পৃথিবীর ৬০% মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ৩৫% মানুষের প্রধান খাদ্য গম বা রুটি।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। গবাদি পশুর খাদ্যঃ হাজার প্রজাতির ঘাস গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া প্রভৃতি গৃহপালিত পশুর প্রধান খাদ্য।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। চিনি উৎপাদনঃ আখ থেকে চিনি উৎপাদন করা হয়। চিনি দ্বারা বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরী করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। সুগন্ধি প্রসাধনীঃ লেমন ঘাস থেকে সুগন্ধি তেল এবং প্রসাধনী তৈরী করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। ওষুধ তৈরীঃ শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদ থেকে ১২০ ধরনের আধুনিক ও মুল্যবান ওষুধ তৈরী করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। ভেষজ হিসেবেঃ দুর্বাঘাস রক্তপাত বন্ধে এবং ক্ষত নিরাময়ে ভেষজ হিসেবে ব্যবহার হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। কাগজ তৈরীঃ বাঁশ, নলখাগড়া এবং আখের ছোবড়া থেকে কাগজ তৈরী করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। জ্বালানীঃ উদ্ভিদের মূল, কান্ড ও পাতা জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার হয়।
৯। নির্মাণ সামগ্রীঃ বাঁশ এবং কাঠ নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার হয়।
১০। শিল্পক্ষেত্রেঃ উদ্ভিদ থেকে পাউরুটি, বিস্কুট, অ্যালকোহল, ভিনেগার প্রভৃতি তৈরী করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১১। সৌন্দর্য বৃদ্ধিঃ সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বাড়ি, রাস্তা এবং বাগানে ফুলের গাছ লাগানো হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১২। আগাছাঃ ফসলের জমিতে আগাছা জন্মে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *