আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। আবৃতবীজী উদ্ভিদ বীরুৎ, গুল্ম ও বৃক্ষ জাতীয়। কিছু উদ্ভিদ পরাশ্রয়ী বা পরজীবী প্রকৃতির।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
২। প্রধান উদ্ভিদ দেহ স্পোরোফাইট। এরা সবচেয়ে উন্নত প্রকৃতির।
৩। উদ্ভিদের দেহ নরম বা শক্ত, কাষ্ঠল বা অকাষ্ঠল, চির সবুজ বা পর্ণমোচী, বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী হতে পারে।. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
৪। এরা পুষ্পক উদ্ভিদ। উদ্ভিদের পুষ্প একক বা মঞ্জরীতে থাকে।
৫। এরা ভাস্কুলার উদ্ভিদ। ভাস্কুলার বান্ডল সংযুক্ত ও অরীয়। মুক্ত ও সমপার্শ্বীয় বা সমদ্বিপার্শ্বীয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
৬। স্ত্রীকেশর গর্ভাশয়, গর্ভদন্ড ও গর্ভমুন্ডে বিভক্ত।
৭। অংকুরিত পরাগরেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়।
৮। এদের গর্ভাশয় প্রকোষ্ঠ বিশেষ। এতে ডিম্বক সৃষ্টি হয়।
৯। বীজ ফলের ভিতরে আবৃত থাকে।
১০। বীজে একটি বা দুইটি বীজপত্র থাকে।
১১। এদের শুক্রাণু ফ্ল্যাজেলাবিহীন এবং নিশ্চল।
১২। এদের দ্বি-নিষেক ঘটে।. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
১৩। এদের শস্য ট্রিপ্লয়েড এবং নিষেকের পরে তৈরী হয়।
১৪। জাইলেমে ভেসেল এবং ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ থাকে।
১৫। এরা আর্কিগোনিয়া সৃষ্টি করে না, তাই উন্নত প্রকৃতির।
১৬। গ্যামিটোফাইট খুব সংক্ষিপ্ত এবং পরনির্ভরশীল।
১৭। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট জনুঃক্রম থাকে।
১৮। শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদ থেকে ১২০ ধরনের আধুনিক ও মুল্যবান ওষুধ তৈরী করা হয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *