মধ্য পৌষ্টিকনালীর পরবর্তী অংশ হলো পশ্চাৎ পৌষ্টিকনালী। মধ্য ও পশ্চাৎ পৌষ্টিক নালীর সংযোগস্থলে ১০–১৫টি মালপিজিয়ান নালিকা থাকে। পশ্চাৎ পৌষ্টিক নালী চারটি অংশ দ্বারা গঠিত। ইলিয়াম, কোলন, মলাশয় ও পায়ু।
(i) ইলিয়ামঃ ইলিয়াম হলো সরু, ছোট ও নলের মতো অংশ। এর ভিতরের প্রাচীর রোম ও ভাঁজযুক্ত। এই ভাঁজ যুক্ত অংশ গুলো কপাটিকার মতো কাজ করে। ইলিয়াম খাদ্য পরিপাক ও খাদ্যসার শোষণ করে।
(ii) কোলনঃ ইলিয়ামের পরবর্তী লম্বা অসম আকৃতির অংশকে কোলন বলে। কোলনের ব্যাস ইলিয়ামের চেয়ে বেশি। ইহা খাদ্যবস্তু শোষণ করে।
(iii) মলাশয়ঃ পৌষ্টিকনালীর সবচেয়ে পিছনের অংশকে মলাশয় বলে। এটি স্ফীত এবং পুরু প্রাচীর যুক্ত। এর ভিতরের প্রাচীরে ৬টি ভাঁজ রয়েছে। এই ভাঁজ গুলোকে মলাশয় প্যাপিলা বলে। ইহা মল হতে অতিরিক্ত পানি, খনিজ লবণ, অ্যামাইনো এসিড প্রভৃতি শোষণ করে। এছাড়া খাদ্যের অপাচ্য অংশকে সঞ্চিত রাখে।
(iv) পায়ুঃ মলাশয়ের শেষ প্রান্তে অবস্থিত ছিদ্রপথকে পায়ু বলে। ইহা খাদ্যের অসার অংশকে দেহ হতে অপসারণ করে।