১। হোলান্ড্রিক জিন (Holandric gene) ঃ Y–ক্রোমোসোমে যে জিন থাকে তাকে হোলান্ড্রিক জিন বলে। ইহা মানুষের কানের লোম প্রকাশক জিন।
২। সেক্স–ক্রোমোসোমাল জিন (Sex-chromosomal gene)ঃ X –ক্রোমোসোমে যে জিন থাকে তাকে সেক্স–ক্রোমোসোমাল জিন বলে। ইহা হিমোফিলিয়া, বর্ণান্ধতা প্রভৃতির জন্য দায়ি।
৩। অটোসোমাল জিন (Autosomal gene) ঃ অটোসোমে যে জিন থাকে তাকে অটোসোমাল জিন বলে। ইহা মানুষের মাথার টাক (bondness), অ্যালবিনিজম প্রভৃতির জন্য দায়ি।
৪। খন্ডিত জিন (Split gene)ঃ যে জিন ইন্ট্রন ও এক্সন দ্বারা গঠিত তাকে খন্ডিত জিন বলে।
৫। ট্রান্স জিন (Trans gene)ঃ যে জিন এক কোষ থেকে বৈশিষ্ট্য নিয়ে অন্য কোষে প্রতিস্থাপন করে তাকে ট্রান্স জিন বলে।
৬। মারণ বা ঘাতক জিন (Lethal gene) ঃ যে জিনের বহিঃপ্রকাশের কারণে জীবের মৃত্যু হয় তাকে লিথাল জিন বলে।
৭। সিউডো জিন (Pseudo gene) ঃ যে জিন নিস্ক্রিয় থাকে বা পলিপেপটাইড গঠন করে না তাকে সিউডো জিন বলে।
৮। অঙ্কোজিন (Oncogene) ঃ যে জিনের কারণের ক্যান্সার সৃষ্টি হয় তাকে অঙ্কোজিন জিন বলে।
৯। হাউজ কিপিং জিন (House keeping gene) ঃ এদেরকে গঠনশীল জিন বলা হয়। বিপাকীয় কোষের সাধারণ কার্যাবলি ঘটার জন্য এসব জিন অবিরাম ক্রিয়াশীল থাকে।
১০। লাক্সারি জিন (Luxury gene)ঃ এদেরকে অ–গঠনশীল জিন বলা হয়। এসব জিন অবিরাম ক্রিয়াশীল থাকে না। ইহা শুধুমাত্র প্রয়োজনে সক্রিয় হয়।
১১। টারমিনেটর জিন (Luxury gene)ঃ জিনগত রুপান্তরিত ফসলে ব্যবহৃত জিন হলো টারমিনেটর জিন। ইহা উদ্ভিদের উর্বর বীজ উৎপাদনে বাধা দেয়।