(i) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল, পরাগরেণু প্রভৃতি অঙ্গ থেকে নতুন চারা উৎপন্ন করা হয়।
(ii) এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের দেহ কোষ থেকে মাতৃগুণ সম্পন্ন ফুল ও ফলের চারা সৃষ্টি করে সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
(iii) যে সব উদ্ভিদ বীজ উৎপাদন করে না তাদের অঙ্গ থেকে চারা উৎপাদন করে বংশবৃদ্ধি করা হয়।
(iv) যে সব উদ্ভিদ বিলুপ্তপ্রায় তাদের যে কোন অঙ্গ থেকে নতুন চারা সৃষ্টি করে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।
(v) আন্তঃপ্রজাতির সংকরায়নে ভ্রুণ কালচার করে এবং ভ্রুণের বিকাশের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ সংকর উদ্ভিদ উৎপন্ন করা হয়।
(vi) পরাগায়িত ডিম্বক থেকে ভ্রুণপোষক টিস্যু পৃথক করে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করা যায়। বর্তমানে Cucumis melo, Aegle marmelos, Liffa cylindrica প্রভৃতি উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা চলছে।