টিস্যু কালচার ।। টিস্যু কালচারের ভূমিকা ।। Roles of medical

(i) টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ঔষধী উদ্ভিদের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব চারা পূর্ণাঙ্গ হলে ঔষধ তৈরীর কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
(ii) টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাধ্যমে ঔষধীগুণ সম্পন্ন সবজির উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। এসব সবজি ওষুধের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
(iii) টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে সেমিক্লোনাল ভ্যারিয়েশনের মাধ্যমে পতঙ্গরোধী উদ্ভিদ, আগাছানাশকরোধী উদ্ভিদ, রোগ প্রতিরোধী জাত, পেস্টিসাইড প্রতিরোধী উদ্ভিদ প্রভৃতি সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব উদ্ভিদ চাষে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয় না। ফলে পরিবেশ দূষণ মুক্ত হয়। এতে প্রাণীদেহে রোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকে।
(iv) রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে অণুজীব, উদ্ভিদ বা প্রাণী থেকে কাক্সিক্ষত জিন নিয়ে আবাদকৃত ভ্রুণ বা কোষে প্রবেশ করিয়ে চাহিদা মতো জিনোম সৃষ্টি করা হয়েছে। টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে এ সব ভ্রুণ বা কোষ থেকে পূর্ণাঙ্গ ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় উন্নত পুষ্টিমানের উদ্ভিদ স্বর্ণধান, আলু, সয়াবিন, টমেটো, তুলা, তামাক প্রভৃতি সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব উদ্ভিদ উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *