১৯১৩ সালে বিজ্ঞানী মাইকেল ও মেন্টেন এনজাইমের ক্রিয়া কৌশল সম্পর্কে যে মতবাদ প্রকাশ করেন তাকে মাইকেলিস-মেনটেন মতবাদ বলে। এই মতবাদটি তালা-চাবি মতবাদের অনুরুপ। মতবাদটি আলোচনা করা হলো।
এনজাইম হলো এক ধরনের প্রোটিন যা অসংখ্য অ্যামাইনো এসিড দ্বারা গঠিত। অ্যাপো এনজাইমের যে স্থানে সাবস্ট্রেট যুক্ত হয়ে বিক্রিয়া ঘটায় সে স্থানকে Active site বা সক্রিয় স্থান বলে। প্রতিটি এনজাইমে এক বা একাধিক সক্রিয় স্থান বা বিক্রিয়া কেন্দ্র থাকে। সাবষ্ট্রেট এনজাইমের সক্রিয় স্থান বা বিক্রিয়া কেন্দ্রে যুক্ত হয়ে এনজাইম সাবষ্ট্রেট কমপ্লেক্স গঠন করে। প্রোডাক্ট সৃষ্টি হওয়ার পর এনজাইম পৃথক হয়ে যায়। এনজাইমের বিক্রিয়ার হার সাবষ্ট্রেটের ঘনত্বের সাথে সম্পর্ক যুক্ত। সাবষ্ট্রেটের ঘনত্ব বৃদ্ধির সাথে সাথে এনজাইমের ক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পেতে থাকে। সাবষ্ট্রেটের ঘনত্ব বৃদ্ধির কারণে বিক্রিয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগের অর্ধেক গতিবেগকে ঐ বিক্রিয়ার মাইকেলিস ধ্রুবক (Km) বলা হয়। মাইকেলিস ধ্রুবক এনজাইমের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। Km এর মান দ্বারা বিক্রিয়ার গতিবেগ নির্ধারিত হয়।