(i) মোম উদ্ভিদের কান্ড, পাতা, ফল ও ফুলের উপর পানি প্রতিরোধক স্তর হিসেবে কাজ করে।
(ii) মোম উদ্ভিদ অঙ্গের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
(iii) মোম থেকে মোমবাতি তৈরী হয়।
(iv) ইহা প্রসাধনী শিল্পে ব্যবহার হয়।
(v) মোম আবৃত পালক ও লোম পানি প্রতিরোধী হয়।
(vi) পাতা ও কচি কান্ডে মোমের আবরণী প্রস্বেদন হ্রাস করে।
(vii) কোষপ্রাচীরে কিউটিন ও সুবেরিনের আবরণী তৈরী হয়। কিউটিন ও সুবেরিন হলো মোম জাতীয় পদার্থ।
(viii) ইহা ফল সংরক্ষণে ব্যবহার হয়।