১। ভাইরাস নিউক্লিক এসিড এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত।
২। এরা জীবকোষের ভিতরে সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে।
৩। এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন (genetic recombination) ঘটতে দেখা যায়।
৪। এদের প্রকরণ (variation) ও মিউটেশন (mutation) ঘটে এবং নতুন ষ্ট্রেইন সৃষ্টি হয়।
৫। ভাইরাস পোষক দেহে রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
৬। এরা সুনির্দিষ্ট ভাবে বাধ্যতামুলক পরজীবী।
৭। সৃষ্ট নতুন ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে।
৮। এদের অভিযোজন (adaptation) ক্ষমতা অসাধারণ।
৯। এদের প্রোটিন আবরণীটি অ্যান্টিজেনিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন।
১০। ভাইরাস তার অনুরুপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে।
১১। ভাইরাস নির্দিষ্ট বংশধারা বজায় রাখতে সক্ষম।
১২। ভাইরাস প্রোটিন সংশ্লেষণ করতে পারে।
১৩। পোষক কোষের নিউক্লিয়াস বা জেনেটিক বস্তু জোরপূর্বক ব্যবহার করে এদের বহুবিভাজন ঘটে।
১৪। এরা সুনির্দিষ্ট অঙ্গ বা জীবের উপর ক্রিয়া করে।
১৫। ভাইরাসে লাইসোজাইম এনজাইম থাকে।