১। লাইটিক ভাইরাসঃ যে সব ভাইরাস সংখ্যা বৃদ্ধির পর পোষকের দেহ বিদীর্ণ করে বেরিয়ে আসে তাদেরকে লাইটিক ভাইরাস বলে। যেমন- T2, T4, T6, T8 ফায প্রভৃতি।
২। লাইসোজেনিক ভাইরাসঃ যে সব ভাইরাস সংখ্যা বৃদ্ধির পর পোষকের দেহ বিদীর্ণ করে বেরিয়ে আসে না তাদেরকে লাইসোজেনিক ভাইরাস বলে। যেমন- ল্যামডা ফায।