১। প্রোটিন সংশ্লেষণঃ অ্যামাইনো এসিড পেপটাইড বন্ধনী দ্বারা যুক্ত হয়ে প্রোটিন গঠন করে।
২। প্লাজমা প্রোটিন তৈরীঃ ইহা রক্তের প্লাজমাপ্রোটিন তৈরী করে।
৩। রাসায়নিক পদার্থ সংশ্লেষণঃ এনজাইম, ভিটামিন, অ্যান্টিবডি, ইউরিয়া প্রভৃতি
সংশ্লেষণে অ্যামাইনো এসিড সাহায্য করে।
৪। হরমোন উৎপাদনঃ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতে অ্যামাইনো এসিড সংশ্লেষিত হয়ে হরমোন উৎপন্ন
করে। উদ্ভিদ হরমোন ইন্ডোল অ্যাসিটিক এসিড গঠনে অংশ গ্রহণ করে।
৫। মেলানিন তৈরীঃ ইহা দেহে মেলানিন তৈরী করে।
৬। দুগ্ধপ্রোটিন উৎপন্নঃ ইহা দুগ্ধপ্রোটিন কেসিনোজেন উৎপন্ন করে।
৭। দেহ কাঠামো গঠনঃ অ্যামাইনো এসিড জীবের দেহ কাঠামো গঠন করে।
৮। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ অ্যামাইনো এসিড দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৯। pH নিয়ন্ত্রণঃ অ্যামাইনো এসিড দেহে ঢ়ঐ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
১০। এনজাইম সংশ্লেষণঃ অ্যামাইনো এসিড থেকে সব ধরনের এনজাইম সৃষ্টি হয়।
১১। ইউরিয়া সংশ্লেষঃ অ্যামাইনো এসিড ইউরিয়া সংশ্লেষে সাহায্য করে।
১২। গ্লুকোজ গঠনঃ অ্যামাইনো গ্রুপের অপসারণে বিভিন্ন অ্যামাইনো এসিডের কার্বন শৃঙ্খল গ্লুকোজ গঠন করে।