প্রাণীবিজ্ঞানের ফলিত শাখা ।। Applied Zoology ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

প্রাণীবিজ্ঞানের যে সব শাখায় মানবকল্যাণে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রাণী নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ফলিত শাখা বলে।

১। মৌমাছি পালন (Apiculture) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মৌমাছি পালন, মধু উৎপাদন মোম নিষ্কাশন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৌমাছি পালন বা এপিকালচার বলে।

২। রেশম চাষ (Sericulture) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় রেশম মথ প্রতিপালন, সংরক্ষণ রেশম সূতা উৎপাদন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রেশম চাষ বা সেরিকালচার বলে।

৩। মৎস্যবিজ্ঞান (Fisheries) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মাছ, চিংড়ী উভচর নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বা ফিশারিজ বলে।

৪। মৎস্য চাষ (Pisciculture) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মাছ চাষ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্য চাষ বা পিসিকালচার বলে।

৫। চিংড়ি চাষ (Prawn culture) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় চিংড়ি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে চিংড়ি চাষ বা প্রাউন কালচার বলে।

৬। মুক্তা চাষ (Pearl culture) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় কৃত্রিম উপায়ে মুক্তা উৎপাদন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মুক্তা চাষ বা পায়েল কালচার বলে।

৭। পশুপালন (Animal husbandry) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় গবাদিপশু প্রতিপালন, দুগ্ধ মাংস উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে পশুপালন বা অ্যানিমেল হ্যাসবেনড্রি বলে।

৮। মেরিকালচার (Mericulture) বৈজ্ঞানিক উপায়ে মোহনা সমুদ্র উপকূল এলাকায় মুক্তা, মাছ, চিংড়ি, শৈবাল প্রভৃতি চাষ আহরণ করাকে মেরিকালচার বলে।

9| A¨vKzqvKvjPvi () t ‰eÁvwbK Dcv‡q ¯^v`ycvwb‡Z gy³v, gvQ, wPswo, K”Qc, Kzwgi, ˆkevj cÖf…wZ Pvl Kiv‡K A¨vKzqvKvjPvi e‡j|

৯। অ্যাকুয়াকালচার (Aquaculture) বৈজ্ঞানিক উপায়ে স্বাদুপানিতে মুক্তা, মাছ, চিংড়ি, কচ্ছপ, কুমির, শৈবাল প্রভৃতি চাষ করাকে অ্যাকুয়াকালচার বলে।

১০। হাঁসমুরগি পালন (Poultry farming) প্রাণীবিজ্ঞানের এই শাখায় বিজ্ঞান সম্মতভাবে হাঁসমুরগি প্রতিপালন, ডিম মাংস উৎপাদন প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে হাঁসমুরগি পালন বা পোল্ট্রি ফার্মিং বলে।

১১। বালাই নিয়ন্ত্রণ (Pest control) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় জমির ফসর গুদামজাত শস্যের অনিষ্টকারী পোকা নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে বালাই নিয়ন্ত্রণ বা পেস্ট কন্ট্রোল বলে।

১২। জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology) বৈজ্ঞানিক প্রকৌশলগত নীতি অনুসরণ প্রয়োগ করে জীবদেরকে যথাযথ ভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের জন্য কল্যাণকর ব্যবহারযোগ্য মালামাল তৈরীর পদ্ধতিকে জীবপ্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি বলে।

১৩। চিকিৎসাবিজ্ঞান (Medical Science) প্রাণীবিজ্ঞানের যে শাখায় মানবদেহের গঠন, বিভিন্ন রোগ, রোগের কারণ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞান বা মেডিকেল সাইন্স বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *