বিশ্ব বরেণ্য প্রাণিবিজ্ঞানীদের পরিচিতি ও অবদান ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। অ্যারিস্টটল (Aristotle)ঃ জন্ম-খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪ অব্দে এবং মৃত্যু-খ্রিস্টপূর্ব ৩২২ অব্দে। তিনি গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর ছাত্র এবং আলেকজান্ডার দি গ্রেট এর গৃহশিক্ষক ছিলেন। তাকে প্রাণীবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি রক্তের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি এবং ডিম ও সন্তান প্রসবের উপর ভিত্তি করে প্রাণীদের শ্রেণীবিন্যস্ত করেন। প্রায় ৫২০ প্রজাতির প্রাণী শনাক্ত করেন এবং শ্রেণীবিন্যাস প্রণয়ন করেন। তিনি ১৪৬টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো- হিস্টোরিয়া অ্যানিমালিয়াম (Historia Animalium), অন দ্যা জেনেরেশন অফ অ্যানিমালস্ (On The Generation of Animals), অন দ্যা পার্টস অব অ্যানিমালস্ (On The Parts of Animals), মেটাফিজিক্স (Metaphysic) প্রভৃতি।

২। অ্যানড্রেস ভেসালিয়াস (Andreas Vesalius)ঃ জন্ম-৩১ ডিসেম্বর ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১৫ অক্টোবর ১৫৬৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ডাচ চিকিৎসক ও অ্যানাটমীর (Anatomy) শিক্ষক ছিলেন। তাকে আধুনিক অ্যানাটমীর জনক (Father of Modern Anatomy) বলা হয়। তিনি মাছের অ্যানাটমীর উপর সর্বপ্রথম আলোকপাত করেন। বিভিন্ন অস্থি ও পেশি সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ হলো- ফ্যাব্রিক্স অব হিউম্যান বডি (Fabrics of Human Body, De Corporis Fabrica-)।

৩। উইলিয়াম হার্ভে (William Harvey)ঃ জন্ম-১৫ এপ্রিল ১৫৭৮ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-৩ জুন ১৬৫৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ব্রিটিশ চিকিৎসক ছিলেন। তাকে হিউমেন ফিজিওলজির জনক বলা হয়। তিনি মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন সম্পর্কে সর্বপ্রথম বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা প্রদান করেন। ভ্রæণবিদ্যার উপর মৌলিক গবেষণা করেন। তিনি ব্যক্ত করেন ডিম্বাণু থেকে সকল জীব সৃষ্টি হয়।

৪। অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হুক (Antonie Van Leeuwenhoek)ঃ জন্ম-২৪ অক্টোবর ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২৬ আগস্ট ১৭২৩ খ্রিস্টাব্দ। তিনি নেদারল্যান্ডের অধিবাসী এবং একজন ডাচ বিজ্ঞানী। তাকে অণুজীববিজ্ঞানের (Microbiology) জনক বলা হয়। তিনি সরল অণুবীক্ষণযন্ত্র আবিষ্কার করেন। সর্বপ্রথম এককোষী জীব বর্ণনা করেন এবং এদের নামকরণ করেন অ্যানিমালকুলস্ (animalcules)। তিনি সর্বপ্রথম প্রোটোজোয়া, ব্যাকটেরিয়া, ঈস্ট, লোহিত রক্তকণিকা, শুক্রাণু,স্নায়ুকোষ, পেশিতন্তু প্রভৃতি পর্যবেক্ষণ করেন। কৈশিকজালিকার ভিতরে রক্তসংবহন বর্ণনা করেন। পতঙ্গের জীবনচক্র বর্ণনা করেন। তার লেখা গ্রন্থ হলো- On the Circulation of the Blood, Latin Text of His 65th Letter to the Royal Society, Facsimile।

৫। রবার্ট হুক (Robert Hooke)ঃ জন্ম-১৮ জুলাই ১৬৩৫ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-৩ মার্চ ১৭০৩ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ প্রকৌশলী এবং দার্শনিক। তিনি অণুবীক্ষণযন্ত্রের বিবর্ধন ক্ষমতা বৃদ্ধি করেন। কোষ আবিষ্কার করেন এবং প্রথম সেল (cell) শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনি কোষ সম্পর্কে মাইক্রোগ্রাফিয়া (Micrographia) নামক বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেন।

৬। ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)ঃ জন্ম-২৩ মে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১০ জানুয়ারী খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন সুইডিশ জীববিজ্ঞানী এবং চিকিৎসক। তিনি রাজকীয় সুয়েডীয় বিজ্ঞান একাডেমী (The Royal Swedish Academy of Sciences) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাকে শ্রেণীবিন্যাবিদ্যার জনক বলা হয়। তিনি বহু উদ্ভিদ ও প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস নামকরণ করেন। জীবের দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন। তার লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ হলো- সিস্টেমা ন্যাচারী (Systema Naturae), স্পেসিস প্লান্টেরাম (Species Plantarum) ও জেনেরা প্লান্টেরাম (Genera Plantarum) প্রভৃতি।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৭। জ্যাঁ ব্যাপটিস্ট দ্যা ল্যামার্ক (Jean Baptiste de Lamarck)ঃ জন্ম-১ আগস্ট ১৭৪৪ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১৮ ডিসেম্বর ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ফরাসি সৈনিক, প্রকৃতিবিজ্ঞানী এবং শিক্ষাবিদ। তিনি সফট ইনহেরিট্যান্স বা ল্যামার্কিজম (Soft inheritance-Lamarckism) এর জন্য বিশ^বিখ্যাত। তিনি বায়োলজি (Biology) শব্দের প্রবর্তক। জীবের বিবর্তন সম্পকে ইনহেরিট্যান্স অফ অ্যাকুইরেড ক্যারেক্টারস (Inheritance of Aquired characters) নামক মতবাদ প্রকাশ করেন। তার বিশ^বিখ্যাত গ্রন্থ হলো- ফিলোসোফিক জুওলোজিক (Philosophic Zoologique) এবং হাইড্রোজিওলোজি (Hydrogeologie)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৮। জর্জেস ক্যুভিয়ে (Georges Cuvier)ঃ জন্ম-২৩ আগস্ট ১৭৬৯ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১৩ মে ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ফ্রান্সের অধিবাসী। তাকে তুলনামূলক শারীরবিদ্যার জনক বলা হয়। তিনি জীবাশ্মবিদ্যাকে বিজ্ঞানের শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। প্রাণীদের তুলনামূলক শারীরবিদ্যা বর্ণনা করেন। লিনিয়াসের শ্রেণীবিন্যাসের উন্নতি ঘটান। তার লেখা বিখ্যাত বই হলো- লে রেগনি অ্যানিমাল (Le Rege Animal)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

 ৯। কার্ল আর্নেস্ট ভন বেয়ার (Karl Ernst Von Baer)ঃ জন্ম-২৮ ফেব্রæয়ারী ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২৮ নভেম্বর ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন রুশ নাগরিক ছিলেন। তাকে আধুনিক ভ্রুণবিদ্যার জনক বলা হয়। তিনি তুলনামূলক ভ্রুণবিদ্যা প্রতিষ্ঠা করেন। স্তন্যপায়ীর ডিম ও নটোকর্ড আবিষ্কার করেন। জাতিগতবিদ্যা ও নৃতত্ত¡ নিয়ে গবেষণা করেন। নিউরাল ভাঁজ আবিষ্কার করেন, মস্তিষ্কের পাঁচটি মুখ্য থলিকা এবং বহিঃভ্রুণীয় ঝিল্লির কাজ বর্ণনা করেন।

১০। চালর্স রবার্ট ডারউইন (Charles Robert Darwin)ঃ জন্ম-১২ ফেব্রæয়ারী ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১৯ এপ্রিল ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি যুক্তরাজ্যের অধিবাসী। তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদের প্রবক্ততা। তিনি প্রজাতির উৎপত্তি ও বিবর্তনে প্রকৃতির ভূমিাকা ব্যাখ্যা করেন। প্রবাল প্রাচীরের ক্রমিক পরিবর্তন উল্লেখ করেন। প্যানজেনেসিস (Pangenesis) মতবাদ প্রবর্তন করেন। মানুষের বিবর্তন ব্যাখ্যা করেন। তার রচিত জীববিদ্যার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা আলোচিত গ্রন্থ হলো- অরিজিন অব স্পেসিস বাই মেনস্ অফ ন্যাচারাল সিলেকশন (Origin of Species by Means of Natural Selection)। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো ফেলো অফ দ্য রয়েল সোসাইটি, কপলি পদক, রয়েল মেডেল এবং Wollaston Medal।

 ১১। থিওডোর সোয়ান (Theodor Schwann)জন্ম ডিসেম্বর ১৮১০ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু১১ জানুয়ারী ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি জার্মানীর অধিবাসী। তাকে কোষ মতবাদের প্রবক্তা বলা হয়। তিনি উল্লেখ করেন জীবদেহ কোষ দ্বারা গঠিত এবং পূর্বতন কোষ থেকে নতুন কোষ সৃষ্টি হয়। প্রান্তীয় অ্যাক্সনের মায়োলিন আবরণী এবং চিহ্নিত পেশি আবিষ্কার করেন। পচনে অণুজীবের ভূমিকা শনাক্ত করেন। তিনি ১৮৪৫ সালে কপলি পদক লাভ করেন। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১২। গেগর জোহান মেন্ডেল (Gregor Johann Mendel)ঃ জন্ম২০ জুলাই ১৮২২ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু জানুয়ারী ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি চেক প্রজাতন্ত্রের অধিবাসী ছিলেন। তাকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়। তিনি মটরশুটি গাছ নিয়ে গবেষণা করে বংশগতি বিষয়ক দুইটি সূত্র প্রদান করেন। একে মেন্ডেলিজম বলে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১৩। আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace)ঃ জন্ম-৮ জানুয়ারী ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-৭ নভেম্বর ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ইংল্যান্ডের অধিবাসী। তিনি ওয়ালেস রেখার অগ্রপুরুষ। প্রাণীদের অভিযোজন সম্বন্ধে ব্যাপক গবেষণা করেছেন। প্রাপ্ত পুরস্কার Darwin-Wallace Medal, Darwin Medal, Founder’s Gold Medal, Linnean Medal, কপলি পদক, অর্ডার অফ মেরিট, রয়েল মেডেল প্রভৃতি।

১৪। লুই পাস্তুর (Louis Pasteur)ঃ জন্ম-২৭ ডিসেম্বর ১৮২২ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২৮ সেটেম্বর ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন। তিনি ভ্যাক্সিন আবিষ্কারক। তিনি জলাতঙ্ক, অ্যানথ্রাক্স, মুরগির কলেরা ও রেশম মথের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু আবিষ্কার করেন। মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স ও জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করেন। পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি উদ্ভবন করেন। স্বতঃস্ফুর্ত সৃষ্টির মতবাদ সঠিক নয় বলে প্রমাণ করে। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

 ১৫। অগাস্ট ভাইজম্যান (August Weismann)ঃ জন্ম-১৭ জানুয়ারী ১৮৩৪ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-৫ নভেম্বর ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন জার্মান বিজ্ঞানী। তিনি জার্মপ্লাজম মতবাদের প্রবক্তা। জার্মপ্লাজম মতবাদের মাধ্যমে বংশগতি পদার্থের সঞ্চার ব্যাখ্যা করেন। ল্যামার্কের অর্জিত গুণাবলীর উত্তরাধিকার মতবাদের অসারতাপ্রমাণ করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার Darwin-Wallace Medal। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১৬। হুগো ডি ভ্রিস (Hugo de Vries)ঃ জন্ম-১৬ ফেব্রæয়ারী ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২১ মে ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি নেদারল্যান্ডের অধিবাসী ছিলেন। তিনি মিউটেশন মতবাদের প্রবক্তা। তিনি মন্তব্য করে ছিলেন যে, মিউটেশনের ফলে আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে বিবর্তন ঘটে। অভিস্র্রবণের ভূমিকা এবং অভিস্র্রবণিক চাপ ও পদার্থের আণবিক ওজনের সম্পর্ক বর্ণনা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার Linnean Medal।

১৭। রোনাল্ড রস (Ronald Ross)ঃ জন্ম-১৩ মে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ভারত ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক ছিলেন। তিনি একজন স্কটিশ চিকিৎসক ও ব্যাকটেরিয়াবিজ্ঞানী ছিলেন। তাকে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের পথিকৃত বলা হয়। তিনি প্রমাণ করেন, ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্র মশার পাকস্থলীতে ঘটে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল (১৯০২), James Tait Black Memorial।

১৮। স্যার জগদীশ চন্দ্র বোস (Sir Jagadish Chandra Bose)ঃ জন্ম-৩০ নভেম্বর ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২৩ নভেম্বর ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন বাংলাদেশী। তিনি বাঙ্গালী পদার্থবিজ্ঞানী, জীববিজ্ঞানী এবং প্রতœতত্ত¡বিদ। তিনি সর্বপ্রথম রেডিও ও মাইক্রোওয়েভ অপটিক আবিষ্কার করেন। উদ্ভিদের উদ্দীপনা মাপকযন্ত্র ক্রেসকোগ্রাফ (Crescograph) আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার ফেলো অফ দ্য রয়েল সোসাইটি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১৯। থমাস হান্ট মর্গান (Thomas Hunt Morgan)ঃ জন্ম-৫ সেপ্টেম্বর ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-৪ ডিসেম্বর ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। তিনি আমেরিকান জিনতাত্তি¡ক, বিবর্তন বিজ্ঞানী এবং ভ্রæণ বিজ্ঞানী। তিনি প্রমাণ করেন, কোষের নিউক্লিয়াসের ভিতরে ক্রোমোসোম থাকে এবং ক্রোমোসোমে জিন অবস্থান করে। জিনগুলো সারিবদ্ধ ভাবে বিন্যস্ত থাকে এবং বংশগতির বৈশিষ্ট্য হিসেবে সঞ্চারিত হয়। বংশগত বৈশিষ্ট্যের সঞ্চারণ কৌশল বর্ণনা করেন। ক্রোমোসোম মতবাদ (Chromosomal theory), ক্রোমোসোমে জিনের রৈখিকবিন্যাস, ক্রসিংওভার এবং মিউটেশন ব্যাখ্যা করেন। তার লেখা গ্রন্থ হলো- The Mechanism of Mendelism Heredity, The Theory of Gene, Heredity and Sex প্রভৃতি। প্রাপ্ত পুরস্কার নোবেল (১৯৩৩), Member of the National Academy of Sciences (১৯০৯)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২০। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (Alexander Fleming)ঃ জন্ম-৬ আগস্ট ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১১ মার্চ ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ইংরেজি জীববিজ্ঞানী এবং ফার্মাকোলজিস্ট। তিনি ১৯২৩ সালে লাইসোজাইম নামক এনজাইম আবিষ্কার করেন।  ১৯২৮ সালে Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ব্যাকটেরিওলজি, ইমিউনোলজি এবং কেমোথেরাপির উপর ব্যাপক গবেষণা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল, John Scott Legacy Medal and Premium, Albert Medal প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২১। সালিম আলী (Salim Ali)ঃ জন্ম-১২ নভেম্বর ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২০ জুলাই ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ পাখিবিজ্ঞানী এবং প্রকৃতিবিজ্ঞানী। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের পাখি প্রজাতির নাম লিপিবদ্ধকরণ, বিস্তৃতি ও সংরক্ষণের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। তার লেখা গ্রন্থ হলো- The Book of Indian Birds, Indian Hill Birds, Our Birds প্রভৃতি। প্রাপ্ত পুরস্কার পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২২। আর্নেস্ট বরিস চেইন (Ernst Boris Chain)ঃ জন্ম-১৯ জুন ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১২ আগস্ট ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দ। তিনি জার্মান-ব্রিটিশ জীবরসায়নবিদ। চেইন এবং ফ্লোরি ১৯৪০ সালে বিশুদ্ধ পেনিসিলিন উৎপাদনে সফল হন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল।

২৩। স্যার হাওয়ার্ড ওয়াল্টার ফ্লোরি (Sir Howard Walter Florey)ঃ জন্ম-২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২১ ফ্রেব্রæয়ারী ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানী। চেইন এবং ফ্লোরি ১৯৪০ সালে বিশুদ্ধ পেনিসিলিন উৎপাদনে সফল হন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল।

২৪। আর্ল উইলবুর সাদারল্যান্ড জুনিয়র (Earl Wilbur. Sutherland Junior)ঃ জন্ম-১৯ নভেম্বর ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-৯ মার্চ ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন বিজ্ঞানী। তিনি হরমোনের মাধ্যমে এককোষ থেকে অন্য কোষের সংকেত বাহিত হওয়ার কৌশল আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৭১) এবং আলবার্ট লস্কর অ্যাওয়ার্ড। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২৫। ফ্রান্সিস ক্রিক (Francis Crick)ঃ জন্ম-৮ জুন ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২৮ জুলাই ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ব্রিটিশ আণবিক জীববিজ্ঞানী, জীবপদার্থবিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানী। ওয়াটসন এবং ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর ডবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কার করেন। জেনেটিক কোড এবং সেন্ট্রাল ডগমার উপর গবেষণা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৬৩) এবং কপলি পদক। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২৬। এডওয়ার্ড বি. লিউইস (Edward Butts Lewis)ঃ জন্ম-২০ মে ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-২১ জুলাই ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন বিজ্ঞানী। তিনি যৌথভাবে ফলের মাছির জিন শনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করেন। ভ্রুণীয় পরিস্ফুটনে জিনের নিয়ন্ত্রণ আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৯৫), অ্যালবার্ট লস্কার অ্যাওয়ার্ড প্রভৃতি।

২৭। হর গোবিন্দ খোরানা (Har Gobind Khorana)ঃ জন্ম-৯ জানুয়ারী ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-৯ নভেম্বর ২০১১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। তিনি কৃত্রিম জিন আবিষ্কারক। তিনি জেনেটিক কোড আবিষ্কার করেন। কোষের রাসায়নিক গঠন ও কাজে নিউক্লিওটাইডের ভূমিকা উল্লেখ করেন। ঈস্ট কোষে জিনের কৃত্রিম প্রতিলিপি সংশ্লেষ করেন। তার লেখা বই হলো Chemical Biology। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৬৮), গির্ডনার ফাউন্ডেশন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, লুইজ গ্রস হরউইটজ প্রাইজ, উইলার্ড গিবস অ্যাওয়ার্ড, পদ্মবিভূষণ প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২৮। ওলিভার স্মিথিস (Oliver Smithies)ঃ জন্ম-২৩ জুন ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১০ জানুয়ারী ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন জিনতত্ত¡বিদ ও প্রাণরসায়নবিদ। ওলিভার স্মিথিস, রেনাতো ক্যাপেচি এবং জন ইভান্স স্তন্যপায়ী প্রাণীর ভ্রুণ কোষ এবং DNA রিকম্বিনেশন এর উপরে গবেষণা করেন। নির্দিষ্ট জিনকে টার্গেট করে নিষ্ক্রিয় করার শক্তিশালী প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৭), Wolf Prize in Medicine প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২৯। রবার্ট জি. এডওয়ার্ডস (Robert G. Edwards)ঃ জন্ম-২৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১০ এপ্রিল ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী। তিনি ১৯৭৮ সালে ডিম্বাণু নারীদেহের বাইরে টেস্ট টিউবে ইন-ভিট্রো নিষিকের মাধ্যমে নিষিক্ত করেন। এরপর নারীর জরায়ুতে পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে প্রথম মানব সন্তান লুইস ব্রাউন এর জন্ম দেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১০)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৩০। জেমস্ ডেভি ওয়াটসন (James Dewery Watson)ঃ জন্ম-৬ এপ্রিল ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ। তিনি মার্কিন আণবিক জীববিজ্ঞানী। ওয়াটসন এবং ক্রিক ১৯৫৩ সালে অণুর ডবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কার করেন। জেনেটিক কোড এবং সেন্ট্রাল ডগমার উপর গবেষণা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৬৩), Albert Lasker Award, Member of the National Academy Sciences, EMBO Membership, Copley Medal, Lomonosov Gold Medal প্রভৃতি।

 ৩১। লুক মন্ট্যাগনিয়ার (Luc Montagnier)ঃ জন্ম-১৮ আগস্ট ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ফরাসী ভাইরাসবিজ্ঞানী। ১৯৮৩ সালে বিজ্ঞানী ব্যারে সিনোসি এবং লুক মন্ট্যাগনিয়ার আবিষ্কার করেন। এতে এইডস রোগের চিকিৎসা সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৮) এবং জাপান পুরুষ্কার। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৩২। হার্ভি জে. অল্টার (Harvey J. Alter)ঃ জন্ম-১২ সেপ্টেম্বর ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন চিকিৎসাবিজ্ঞানী। হার্ভি অল্টার, মাইকেল হাওটন এবং মোয়েন রাইস লিভার ক্যান্সার, সিরোসিস এবং হেপাটাইটিস-সি ভাইরাস ব্যাখ্যা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২০)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৩৩। গুন্টার ব্লোবেল (Gunter Blobel)ঃ জন্ম-২১ মে ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু-১৮ ফেব্রæয়ারী ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন জার্মান-আমেরিকান জীববিজ্ঞানী। তিনি প্রোটিন অণু কোষের জীবন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখে এবং কোষপ্রাচীর বা কোষঝিল্লির ভিতর দিয়ে প্রোটিনের যাতায়াত ব্যাখ্যা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৯৯)।

৩৪। হেরাল্ড জুর হাউসেন (Herald Zur Hausen)ঃ জন্ম-১১ মার্চ ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন জার্মান চিকিৎসাবিজ্ঞানী। তিনি মহিলাদের জরায়ুর ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) আবিষ্কার করেন। ফলে এই ভাইরাসের কার্যকর ভ্যাক্সিন আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৮)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৩৫। মারিও রেনাতো ক্যাপেচি (Mario Renato Capecchi)ঃ জন্ম-৬ অক্টোবর ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ইটালিয়ান-আমেরিকান জীববিজ্ঞানী। ওলিভার স্মিথিস, রেনাতো ক্যাপেচি এবং জন ইভান্স স্তন্যপায়ী প্রাণীর ভ্রুণ কোষ এবং DNA রিকম্বিনেশন এর উপরে গবেষণা করেন। নির্দিষ্ট জিনকে টার্গেট করে নিষ্ক্রিয় করার শক্তিশালী প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৭), Kyoto Prize, Franklin Medal, Massry Prize, Wolf Prize in Medicine প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৩৬। জে. রবিন ওয়ারেন (J. Robin Warren)ঃ জন্ম-১১ জুন ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান রোগতত্ত¡বিদ। ওয়ারেন এবং মার্শাল Helicobacter pylori ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন এবং গ্যাস্ট্রাইটিস ও পেপটিক আলসার সৃষ্টিতে ব্যাকটেরিয়াটির ভূমিকা উদঘাটন করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৫), Paul Ehrlich and Ludwing Darmstaedter Prize।

৩৭। লিল্যান্ড হ্যারিসন হার্টওয়েল (Leland Harrison Hartwell)ঃ জন্ম-৩০ অক্টোবর ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান বিজ্ঞানী। হার্টওয়েল, হান্ট এবং মেক্সিম নার্স আবিষ্কার করেন, নির্দিষ্ট জিন কোষচক্রের কার্যকরীতা নিয়ন্ত্রণ করে। কোষ সৃষ্টি, বৃদ্ধি এবং পরবর্তী বিভাজন কোষচক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তার লেখা গ্রন্থ হলো- The Harvey Lectures Series 90 এবং Art Notebook to Accompany Genetics। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০১), Rosenstiel Award, Genetics Society of America Medal, Komen Brinker Award, Albert Lasker Award, Massry Prize প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৩৮। স্যার মার্টিন জন ইভান্স (Sir Martin John Evans)ঃ জন্ম-১ জানুয়ারী ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ জীববিজ্ঞানী। ওলিভার স্মিথিস, রেনাতো ক্যাপেচি এবং জন ইভান্স স্তন্যপায়ী প্রাণীর ভ্রুণ কোষ এবং DNA রিকম্বিনেশন এর উপরে গবেষণা করেন। নির্দিষ্ট জিনকে টার্গেট করে নিষ্ক্রিয় করার শক্তিশালী প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৭), অ্যালবার্ট লস্কার অ্যাওয়ার্ড প্রভৃতি।

৩৯। জর্জ স্মিথ (George Smith)ঃ জন্ম-১০ মার্চ ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান জীববিজ্ঞানী। ফ্রান্সেস আর্নল্ড, জর্জ স্মিথ এবং গ্রেগরী উইন্টার আবিষ্কার করেন, ফেজ ডিসপ্লে পদ্ধতিতে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি অটোইমিউন রোগ প্রতিরোধ করতে পারে এবং মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সার নিরাময় করতে পারে। প্রাপ্ত পুরস্কার রসায়নে নোবেল (২০১৮)।

৪০। জুলস এ. হফম্যান (Jules A. Hoffmann)ঃ জন্ম-২ আগস্ট ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ফরাসি জীববিজ্ঞানী। বেউটলার এবং হফম্যান সহজাত ইমিউনিটি সক্রিয়করণজনিত জিনগত কৌশল আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১১), বালজান পুরস্কার (২০০৭), Keio Medical Science Prize (২০১০) প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৪২। স্ট্যানলি বি. প্রæজিনার (Stanley B. Prusiner)ঃ জন্ম২৮ মে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান নিউরোলজিস্ট এবং প্রাণরসায়নবিদ। তিনি ক্রয়েল্টজফেল্ট জাকব ডিজিজ এর জীবাণু প্রিয়ন আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৯৭) এবং Keio Medical Science Prize ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৪৩। তাসুকু হনজো (Tasuku Honjo) ঃ জন্ম২৭ জানুয়ারী ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন জাপনী প্রাণরসায়ন বিজ্ঞানী। প্যাট্রিক এলিসন এবং তাসুকু হনজো ইমিউনতন্ত্রের এক ধরনের প্রোটিন নিয়ে গবেষণা করে প্রমাণ করেন, এই প্রোটিন ক্যান্সার টিউমার গলিয়ে বা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রোগের উপশম ঘটায়। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৮)

৪৪। ক্রিশ্চিনি নাসলেইন ভোলহার্ড (Christiane Nusslein Volhard)ঃ জন্ম-২০ অক্টোবর ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন জার্মান জীববিজ্ঞানী। ওয়াইজ হাউস এবং নাসলেইন ভোলহার্ড ফলের মাছির জিন শনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করেন। ভ্রুণীয় পরিস্ফুটনে জিনের নিয়ন্ত্রণ আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৯৫)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৪৫। টিম হান্ট (Tim Hunt)ঃ জন্ম-১৯ ফেব্রæয়ারী ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ রসায়নবিদ। হার্টওয়েল, হান্ট এবং মেক্সিম নার্স আবিষ্কার করেন, নির্দিষ্ট জিন কোষচক্রের কার্যকরীতা নিয়ন্ত্রণ করে। কোষ সৃষ্টি, বৃদ্ধি এবং পরবর্তী বিভাজন কোষচক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০১), রয়েল মেডেল প্রভৃতি।

৪৬। রালফ এম. স্টেইনম্যান (Ralph M. Steinman)ঃ জন্ম১৪ জানুয়ারী ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন কানাডিয়ান জীববিজ্ঞানী। তিনি উল্লেখ করেন, Tকোষ হলো ডেনড্রাইটিক কোষ। অর্জিত ইমিউনিটিতে নির্দিষ্ট ডেনড্রাইটিক কোষের ভূমিকা ব্যাখ্যা করেন। এই আবিষ্কার অ্যালার্জি, অঙ্গ প্রতিস্থাপন, টাইপ ডায়াবেটিস, মস্তিষ্ক সুষুষ্মাকান্ডের মালটিপল স্কে¬রোসিস নামক রোগ নিরাময়ে অবদান রাখবে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১১) এবং কানাডা গিয়ার্ডনার আন্তর্জাতিক পুরস্কার (২০০৩) ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৪৭। মাইকেল রসব্যাস (Michael Rosbash)জন্ম মার্চ ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি স্কটল্যান্ডের ভ্রুণতত্ত¡বিদ। তিনি আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ক্রোনোবায়োলজিস্ট। জেফরি হল, মাইকেল রসব্যাস এবং মাইকেল ইয়াং গ্রহের ২৪ ঘন্টা আবর্তনকালে কোষ জীবদেহের সাথে জৈবঘড়ি কিভাবে সামঞ্জসা মেনে চলে সে বিষয়ে জিনগত আণবিক ভিত্তি ব্যাখ্যা কর। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো নোবেল (২০১৭)

৪৮। আয়েন উইলমুট (Ian Wilmut)ঃ জন্ম-৭ জুলাই ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি স্কটল্যান্ডের ভ্রুণতত্ত্ববিদ। তিনি ২০০৮ সালে নাইট উপাধি লাভ করেন। ভ্রুণতত্ত্ব ও জিনতত্ত্বের উপর গবেষণা করেছেন। ১৯৯৬ সালে দেহকোষ থেকে ডলি নামক ভেড়ার জন্ম দেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৪৯। ইউশিনোরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi)ঃ জন্ম-৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি জাপানী জীবতত্ত্ববিদ। তিনি অটোফেজি প্রক্রিয়ার উপর গবেষণা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৬)।

৫০। জেফরি কনর হল (Jeffrey Conor Hall)ঃ জন্ম-৩ মে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ও ক্রোনোবায়োলজিস্ট। জেফরি হল, মাইকেল রসব্যাস এবং মাইকেল ইয়াং গ্রহের ২৪ ঘন্টা আবর্তনকালে কোষ ও জীবদেহের সাথে জৈবঘড়ি কিভাবে সামঞ্জসা মেনে চলে সে বিষয়ে জিনগত ও আণবিক ভিত্তি ব্যাখ্যা কর। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো নোবেল (২০১৭), লুইজা গ্রোস হরউইটস পুরস্কার, কানাডা গিয়ার্ডনার পুরস্কার, Massry Prize প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

 ৫১। এরিক ওয়াইজহাউস (Eric F. Wieschaus)ঃ জন্ম-৮ জুন ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান জীববিজ্ঞানী। ওয়াইজ হাউস এবং নাসলেইন ভোলহার্ড ফলের মাছির জিন শনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করেন। ভ্রæণীয় পরিস্ফুটনে জিনের নিয়ন্ত্রণ আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৯৫), Genetics Society of America Medal প্রভৃতি।

৫২। ফ্রাঁকয়েস ব্যারে সিনোসি (Francoise Barre Sinoussi)ঃ জন্ম-৩০ জুলাই ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ফরাসী ভাইরাসবিজ্ঞানী। ১৯৮৩ সালে বিজ্ঞানী ব্যারে সিনোসি এবং লুক মন্ট্যাগনিয়ার আবিষ্কার করেন। এতে এইডস রোগের চিকিৎসা সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৮)।

৫৩। জেমস প্যাট্রিক এলিসন (James Patrick Allison)ঃ জন্ম-৭ আগস্ট ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন অনাক্রম্য বিজ্ঞানী। প্যাট্রিক এলিসন এবং তাসুকু হনজো ইমিউনতন্ত্রের এক ধরনের প্রোটিন নিয়ে গবেষণা করে প্রমাণ করেন, এই প্রোটিন ক্যান্সার টিউমার গলিয়ে বা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রোগের উপশম ঘটায়। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৮)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৫৪। এলিজাবেথ এইচ ব্ল্যাকবার্ন (Elizabeth H. Blackburn)ঃ জন্ম- ২৬ নভেম্বর মার্চ ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন  প্রাণরসায়নবিজ্ঞানী। ১৯৮০ সালে তিনি আবিষ্কার করেন যে, ক্রোমোসোমের টেলোমিয়ারে একটি নির্দিষ্ট DNA থাকে। এই DNA ক্রোমোসোমের ভাঙ্গন প্রতিরোধ করে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৯) ও অ্যালবার্ট লস্কর অ্যাওয়ার্ড। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৫৫। স্যার পল মেক্সিম নার্স (Sir Paul Maxime Nurse)ঃ জন্ম-২৫ জানুয়ারী ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ জিনতত্ত¡বিদ। হার্টওয়েল, হান্ট এবং মেক্সিম নার্স আবিষ্কার করেন, নির্দিষ্ট জিন কোষচক্রের কার্যকরীতা নিয়ন্ত্রণ করে। কোষ সৃষ্টি, বৃদ্ধি এবং পরবর্তী বিভাজন কোষচক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০১), EMBO Membership প্রভৃতি।

৫৬। মাইকেল ডবিøউ ইয়াং (Michael W. Young) ঃ জন্ম-২৮ মার্চ ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ। তিনি আমেরিকান জীববিজ্ঞানী। তিনি জেনেটিক্যালি নিয়ন্ত্রিত ঘুমের প্যাটার্ন এবং অনিদ্রা নিয়ে গবেষণা করছেন। জেফরি হল, মাইকেল রসব্যাস এবং মাইকেল ইয়াং গ্রহের ২৪ ঘন্টা আবর্তনকালে কোষ ও জীবদেহের সাথে জৈবঘড়ি কিভাবে সামঞ্জসা মেনে চলে সে বিষয়ে জিনগত ও আণবিক ভিত্তি ব্যাখ্যা কর। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো নোবেল (২০১৭), লুইজা গ্রোস হরউইটস পুরস্কার, কানাডা গিয়ার্ডনার পুরস্কার, Massry Prize প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৫৭। মাইকেল হাউটন (Michael Houghton)জন্ম১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞানী। হার্ভি অল্টার, মাইকেল হাওটন এবং মোয়েন রাইস লিভার ক্যান্সার, সিরোসিস এবং হেপাটাইটিসসি ভাইরাস ব্যাখ্যা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২০) এবং DeBakey Clinical Medical Award

৫৮। গ্রেগরী উইন্টার (Gregory Winter)ঃ জন্ম১৪ এপ্রিল ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান আণবিক জীববিজ্ঞানী। ফ্রান্সেস আর্নল্ড, জর্জ স্মিথ এবং গ্রেগরী উইন্টার আবিষ্কার করেন, ফেজ ডিসপ্লে পদ্ধতিতে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি অটোইমিউন রোগ প্রতিরোধ করতে পারে এবং মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সার নিরাময় করতে পারে। প্রাপ্ত পুরস্কার রসায়নে নোবেল (২০১৮), Colworth Medal, EMBO Member, Louis Jeantet Prize, Knight Bachelor, Royal Medal প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৫৯। বেরি জে. মার্শাল (Barry J. Marshall)ঃ জন্ম-৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান চিকিৎসা বিজ্ঞানী। ওয়ারেন এবং মার্শাল Helicobacter pylori ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন এবং গ্যাস্ট্রাইটিস ও পেপটিক আলসার সৃষ্টিতে ব্যাকটেরিয়াটির ভূমিকা উদঘাটন করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৫), Lasker Award, Paul Ehrlich and Ludwing Darmstaedter, Buchanan Medal, Prince Mahidol Award, Keio Medical Science Prize প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৬০। চালর্স মোয়েন রাইস (Charles Moen Rice) ঃ জন্ম-২৫ আগস্ট ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান ভাইরাসবিজ্ঞানী। হার্ভি অল্টার, মাইকেল হাওটন এবং মোয়েন রাইস লিভার ক্যান্সার, সিরোসিস এবং হেপাটাইটিস-সি ভাইরাস ব্যাখ্যা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২০) এবং DeBakey Clinical Medical Award।

৬১। জ্যাক ডাবলিউ শসট্যাক (Jack W. Szostak)ঃ জন্ম-৯ নভেম্বর ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন কানাডিয়ান আমেরিকান জীববিজ্ঞানী। বিজ্ঞানী ব্ল্যাকবার্ন, শসট্যাক এবং গ্রেইডার আবিষ্কার করেন, টেলোমিয়ার এবং টেলোমারেজ এনজাইম কিভাবে ক্রোমোসোমের সুরক্ষায় অবদান রাখে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৯)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

 ৬২। স্যার পিটার জন র‌্যাটক্লিফ (Sir Peter John Ratcliffe)ঃ জন্ম-১৪ মে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ চিকিৎসক। উইলিয়াম কেলিন, পিটার জন র‌্যাটক্লিফ এবং গ্রেগ সেমেনজা কোষে অক্সিজেনের মাত্রা উপলব্ধি এবং প্রাপ্য অক্সিজেনের প্রতি অভিযোজন প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। তারা বিভিন্ন অক্সিজেন মাত্রায় সাড়া দিয়ে জিনের কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণকারীর ভূমিকা ব্যাখ্যা করে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৯)। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৬৩। গ্রেগ এল. সেমেনজা (Gregg L. Semeza)ঃ জন্ম-১২ জুলাই ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন চিকিৎসক। উইলিয়াম কেলিন, পিটার জন র‌্যাটক্লিফ এবং গ্রেগ সেমেনজা কোষে অক্সিজেনের মাত্রা উপলব্ধি এবং প্রাপ্য অক্সিজেনের প্রতি অভিযোজন প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। তারা বিভিন্ন অক্সিজেন মাত্রায় সাড়া দিয়ে জিনের কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণকারীর ভূমিকা ব্যাখ্যা করে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৯)।

৬৪। ফ্রান্সেস আর্নল্ড (Frances Arnold)ঃ জন্ম-২৫ জুলাই ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়র। ফ্রান্সেস আর্নল্ড, জর্জ স্মিথ এবং গ্রেগরী উইন্টার আবিষ্কার করেন, ফেজ ডিসপ্লে পদ্ধতিতে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি অটোইমিউন রোগ প্রতিরোধ করতে পারে এবং মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সার নিরাময় করতে পারে। প্রাপ্ত পুরস্কার রসায়নে নোবেল (২০১৮), Garvan Olin Medal, FASEB Award, Draper Prize, Millennium Technology Prize প্রভৃতি।

৬৫ উইলিয়াম জি. কেলিন (Willium G. Kaelin)জন্ম২৩ নভেম্বর ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন চিকিৎসক। উইলিয়াম কেলিন, পিটার জন র‌্যাটক্লিফ এবং গ্রেগ সেমেনজা কোষে অক্সিজেনের মাত্রা উপলব্ধি এবং প্রাপ্য অক্সিজেনের প্রতি অভিযোজন প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। তারা বিভিন্ন অক্সিজেন মাত্রায় সাড়া দিয়ে জিনের কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণকারীর ভূমিকা ব্যাখ্যা করে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৯) অ্যালবার্ট লস্কর অ্যাওয়ার্ড। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৬৬। ব্রুস . বেউটলার (Bruce A. Beutler)ঃ জন্ম২৯ ডিসেম্বর ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন অনাক্রম্যবিজ্ঞানী এবং বংশাণুবিজ্ঞানী। বেউটলার এবং হফম্যান সহজাত ইমিউনিটি সক্রিয়করণজনিত জিনগত কৌশল আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১১) এবং Albany Medical Center Prize

৬৭। ক্যারল ডাবলিউ গ্রেইডার (Carol W. Greider)জন্ম১৫ এপ্রিল ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন জীববিজ্ঞানী। বিজ্ঞানী ব্ল্যাকবার্ন, শসট্যাক এবং গ্রেইডার আবিষ্কার করেন, টেলোমিয়ার এবং টেলোমারেজ এনজাইম কিভাবে ক্রোমোসোমের সুরক্ষায় অবদান রাখে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৯) ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৬৮। ডেভিড জুলিয়াস (David Jay Julius)জন্ম নভেম্বর ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন জীবরসায়নবিদ। ডেভিড জুলিয়াস এবং আর্ডেম পাটাপুটিয়ান কোষের তাপমাত্রা এবং স্পর্শের রিসেপ্টর আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২১)

৬৯। আর্ডেম পাটাপুটিয়ান (David Jay Julius)জন্ম অক্টোবর ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন লেবানন আণবিক জীববিজ্ঞানী। ডেভিড জুলিয়াস এবং আর্ডেম পাটাপুটিয়ান কোষের তাপমাত্রা এবং স্পর্শের রিসেপ্টর আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২১) ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৭০। সভান্তে প্যাবো (Svante Paabo)জন্ম২০ এপ্রিল ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন সুইডিশ বিবর্তনীয় বংশাণুবিজ্ঞানী। তিনি মানুষের অনাক্রম্যতন্ত্র কীভাবে জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখা তা আবিষ্কার করেন। তার লেখা গ্রন্থ হলোNeanderthal Man, In Search of Lost Genomes, How the E19 Protein of Adenoviruses প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২২) ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৭১। ড্রু ওয়াজম্যান (Drew Weissman)জন্ম সেপ্টেম্বর ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন চিকিৎসাবিজ্ঞানী। ড্রু ওয়াজম্যান এবং ক্যাটালিন ক্যারিকো আবিষ্কার করেন, নিউক্লিওসাইডের নাইট্রোজেন ক্ষারক বিভাবে পরিবর্তন হয়। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২৩) ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৭২। ক্যাটালিন ক্যারিকো (Katalin Kariko)জন্ম১৭ জানুয়ারী ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ। ড্রু ওয়াজম্যান এবং ক্যাটালিন ক্যারিকো আবিষ্কার করেন, নিউক্লিওসাইডের নাইট্রোজেন ক্ষারক বিভাবে পরিবর্তন হয়। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০২৩)

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *