মালপিজিয়ান নালিকা হলো ঘাসফড়িং এর প্রধান রেচন অঙ্গ। ইটালিয়ান বিজ্ঞানী মারসেলো মালপিজি (Marcello Malpighi) এই নালিকা আবিষ্কারক করেন। তাঁর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। ইহা হলুদ বর্ণের নালি। মেসেন্টেরন ও প্রোক্টোডিয়ামের সংযোগস্থলে ৬-৮টি নালিকা গুচ্ছ থাকে। প্রতিটি গুচ্ছে ১২-১৫টি করে মালপিজিয়ান নালিকা থাকে। অর্থাৎ এর সংখ্যা ৬০-১৫০টি। প্রতিটি নালিকার দৈর্ঘ্য ২৫ মিমি এবং ব্যাস ০.১০-১.০০ মিমি। এই নালিকা নেফ্রিডিয়াল ধরনের (একপ্রান্ত যুক্ত এবং অন্যপ্রান্ত মুক্ত)। ইহা ফাঁপা, নলাকার এবং শাখাবিহীন। নালিকার ভিতরের ফাঁপা গহŸরকে লুমেন বলে। লুমেন এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা আবৃত থাকে। এপিথেলিয়াল কোষের বাইরের দিকে বেসমেন্ট পর্দা এবং ভিতরের প্রান্তে সিলিয়া বা মাইক্রোভিলাই থাকে। সিলিয়া গুলো মিলে ব্রাশ বর্ডার গঠন করে। ব্রাশ বর্ডার গুলো রক্ত থেকে ইউরিয়া ও ইউরেট নিষ্কাশন করে। নালিকার বহিঃপ্রাচীরে ভিত্তি পর্দা থাকে।
মালপিজিয়ান নালিকার কাজ
১। হিমোলিম্ফ হলো নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য সংগ্রহ করে।
২। বর্জ পদার্থ অন্ত্রে প্রেরণ করে।
৩। অসমোরেগুলেশনে ভূমিকা পালন করে।