লালা গ্রন্থি গুলো গোলাকার বা ডিম্বাকার অসংখ্য থলি নিয়ে গঠিত। থলির প্রাচীরে সেরাস কোষ ও মিউকাস কোষ থাকে। মুখবিবরে তিন জোড়া লালা গ্রন্থি থাকে। এ গুলো হলো-
১। সাব লিঙ্গুয়াল গ্রন্থিঃ জিহ্বার নিচে একজোড়া সাব লিঙ্গুয়াল গ্রন্থি অবস্থিত। ইহা অসংখ্য গোলাকার বা ডিম্বাকার থলি নিয়ে গঠিত। প্রতিটি থলির কেন্দ্রে একটি নালিকা থাকে। নালিকা গুলো মিলিত হয়ে মুল নালিকা গঠন করে। ইহাতে দুধরনের কোষ থাকে। সেরাস কোষ ও মিউকাস কোষ। সেরাস কোষ হতে টায়ালিন ও মল্টেজ এবং মিউকাস কোষ হতে মিউসিন নিঃসৃত হয়।
২। সাব ম্যান্ডিবুলার/ম্যাক্সিলারী গ্রন্থিঃ নিচের চোয়ালের সাথে একজোড়া সাব ম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি থাকে। প্রতিটি গ্রন্থি ওয়ারটোন নালিকার মাধ্যমে জিহ্বার ফ্রেনুলামের পাশে উন্মুক্ত হয়।
৩। প্যারোটিড গ্রন্থিঃ ইহা সবচেয়ে বড় লালাগ্রন্থি। দুই কানের নিচে একটি করে মোট একজোড়া প্যারোটিড গ্রন্থি অবস্থিত। প্রতিটি গ্রন্থি স্টেনসেন নালিকার মাধ্যমে ভেস্টিবিউলে উন্মুক্ত হয়। ভাইরাস সংক্রমণে প্যারোটিড গ্রন্থির স্ফীতি ও যন্ত্রণাদায়ক প্রদাহকে মাম্পস।