জীবজগতে প্রোটিন সংশ্লেষণের বা প্রোটিনের গুরুত্ব আলোচনা করা হলো।
১। সঞ্চিত খাদ্য হিসেবেঃ প্রোটিন জীবদেহে সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
২। শক্তি উৎপাদনঃ প্রোটিন জীবদেহে প্রয়োজনে শক্তি উৎপন্ন করে। জীবদেহে প্রতি গ্রাম প্রোটিন জারণের মাধ্যমে ৪.১০ কিলোক্যালোরি শক্তি উৎপন্ন করে।
৩। দেহ গঠনঃ প্রোটিন জীবদেহের প্রধান গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। ইহা জীবের দেহ গঠন করে।
৪। বংশগতিঃ ক্রোমোসোমে বিদ্যমান হিস্টোন প্রোটিন জীবের বংশগতিতে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে।
৫। বৃদ্ধি ও বিকাশঃ জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। হরমোন হলো এক ধরনের প্রোটিন।
৬। পরিবহনঃ কোষের ভিতরে প্রোটিন বিভিন্ন ধরনের উপাদান পরিবহনে অংশ নেয়। হিমোগ্লোবিন প্রোটিন O2 ও CO2 পরিবহন করে।
৭। ব্যথানাশক হিসেবেঃ মস্তিস্কে উৎপন্ন এন্ডোরফিন প্রোটিন ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।
৮। রোগ প্রতিরোধঃ প্রোটিন জীবদেহে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে। অ্যান্টিবডি দেহকে রোগ প্রতিরোধী করে।
৯। ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণঃ জীবদেহের সকল প্রকার ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে প্রোটিন।
১০। কোষ ঝিল্লি গঠনঃ প্লাজমা মেমব্রেন, নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এবং বিভিন্ন কোষীয় অঙ্গাণুর ঝিল্লি গঠন করে প্রোটিন।
১১। ভাইরাস ও ক্যান্সার প্রতিরোধঃ ইন্টারফেরন নামক প্রোটিন ভাইরাস ও ব্লাড ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।




