এক সেট ক্রোমোসোমে বিদ্যমান সকল জিনকে একত্রে জিনোম বলে। ১৯২০ সালে জার্মান উদ্ভিদ বিজ্ঞানী Hans Winkler সর্বপ্রথম জিনোম শব্দটি ব্যবহার করেন। মানুষের জিনোমে প্রায় ৩০০০ মিলিয়ন ক্ষারক যুগল (জোড়া) এবং ২০,০০০-২৫,০০০ জিন থাকে। ২০০৭ সালে মানুষের জিনোমে ২৯০০ মিলিয়ন নিউক্লিওটাইড এবং প্রায় ৩০,০০০ হাজার জিন রেকর্ড করা হয়েছে। মানুষের ৯৯.৯ ভাগ জিনোম (জিন) একই রকম। মাত্র ০.১ ভাগ জিনের গঠন ভিন্ন হওয়ার কারণে পৃথিবীতে ভিন্ন ভিন্ন রকমের মানুষ দেখা যায়। মানুষের মাত্র ২% জিন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। বাকি ৯৮% জিন নিস্ক্রিয় থাকে। এই নিস্ক্রিয় জিন গুলোকে (৯৮%) জংক DNA (junk DNA) বলে। Mycoplasma genitalium-এর জিনোমে ৫১৭টি, E. coli -এর জিনোমে ৫৪১৬টি এবং Arabidopsis thaliana -এর জিনোমে ২৫,০০০টি জিন থাকে।