(i) খাদ্য বিশারদগণ ১০০টি শৈবাল প্রজাতিকে মানুষের খাদ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এসব শৈবালে প্রোটিন থাকে বলে পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে তালিকা করা হয়েছে।
(ii) প্রাচীনকাল থেকে Chlorella, Laminaria, Ulva, Chondrus, Gracilaria প্রভৃতি শৈবাল মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।
(iii) বাদামী শৈবাল থেকে প্রস্তুত অ্যারামি ও ক্যুমবো জাপানীদের সর্বাধিক জনপ্রিয় খাদ্য।
(iv) Porphyra শৈবাল থেকে জাপানে নরি, কোরিয়ায় জিম এবং যুক্তরাজ্যে ল্যাভার তৈরী করা হয়।
(v) Chlorella একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ শৈবাল।
(vi) Spirulina-কে ভবিষত্যের সেরা খাদ্য হিসেবে মন্তব্য করা হয়।