১। রোগ প্রতিরোধী জাতকে বীজ হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। কুফরি সিন্দুরি, কুফরি চন্দ্রমুখী, কুফরি চমৎকার, RKM, অ্যাবানাকি, বেলচিপ, ব্যাক কিং, সুপেরিয়র প্রভৃতি রোগ প্রতিরোধী আলুর জাত ব্যবহার করতে হবে।
২। রোগ মুক্ত এলাকা থেকে আলু বীজ সংগ্রহ করতে হবে।
৩। বীজ আলু প্রখর রোদে শুকাতে হবে।
৪। উঁচু স্থানে আলুর চাষ করতে হবে।
৫। আলু গাছের গোঁড়ার মাটি উঁচু করে দিতে হবে।
৬। জমির মাটি বেশী ভেজা না থাকা।
৭। জমির আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
৮। ১% বোর্দোমিশ্রণ বা কপার-লাইম দ্বারা জমির মাটি ভালভাবে শোধন করতে হবে।
৯। খোলামেলা জমিতে আলু চাষ করতে হবে এবং আলু গাছের সারির মাঝখানে ফাঁক রাখতে হবে।
১০। গাছ ৬-১০ সেমি হলে একবার, এরপর ১৫ দিন পর পর ডায়াথন এম-৪৫ ছিটাতে হবে।
১১। Bordeaux mixture, Mancozeb 0.2% ও Copper oxychloride দ্বারা রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
১২। সাইনক্স বা অ্যামোনিয়াম থায়োসায়ানেট ছিটিয়ে রোগাক্রান্ত পাতা ঝরিয়ে ফেলতে হবে।
১৩। শুকনো আবহাওয়ায় আলু সংগ্রহ করতে হবে।
১৪। আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করতে হবে। হিমাগারে ৫০ সে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
১৫। জমিতে সেচ ও নাইট্রোজেন সারের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
১৬। শস্য আবর্তন পদ্ধতি প্রবর্তন করতে হবে।
১৭। কোয়ারেন্টাইন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।