Riccia-র শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য কীকী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। ইহা গ্যামিটোফাইটিক (হ্যাপ্লয়েড) উদ্ভিদ।

২। এর দেহ থ্যালয়েড অর্থাৎ দেহকে মূল, কান্ড পাতায় ভাগ করা যায় না।

৩। এর থ্যালাস সবুজ, শায়িত, বিষমপৃষ্ঠ এবং চ্যাপ্টা। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৪। থ্যালাস দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এবং প্রতিটি শাখার মাথায় খাঁজ আছে।

৫। থ্যালাসের নি¤œপৃষ্ঠে এককোষী মসৃণ অমসৃণ রাইজয়েড এবং বহুকোষী স্কেল (শল্ক) থাকে। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৬। থ্যালাসের উপরের দিক সবুজ সালোকসংশ্লেষণে সক্ষম এবং নিচের দিক বর্ণহীন সঞ্চয়ী অঞ্চল।

৭। সঞ্চয়ী অঞ্চল বর্ণহীন, প্যারেনকাইমা কোষ দ্বারা গঠিত এবং বায়ু প্রকোষ্ঠবিহীন। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৮। ফটোসিনথেটিক অঞ্চল বায়ুপ্রকোষ্ঠ যুক্ত এবং প্রকোষ্ঠগুলো সরাসরি বায়ুতে উন্মুক্ত। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

৯।  এরা হোমোস্পোরাস। অর্থাৎ একই রকম স্পোর উৎপন্ন করে।

১০। থ্যালাসের পচনের ফলে স্পোর নির্গত হয়।

১১। স্ত্রীজননাঙ্গ হলো আর্কিগোনিয়াম এবং ইহা দেখতে ফ্লাক্স বা কলসি আকৃতির। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১২। পুংজননাঙ্গ হলো অ্যান্থেরিডিয়াম এবং ইহা দেখতে নাসপাতি আকার, গোলাকার, ডিম্বাকার বা বেলনাকার।ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১৩। স্পোরোফাইট গ্যামিটোফাইটের উপর নির্ভরশীল। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১৪। এরা অঙ্গজ যৌন জনন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *