১। মানুষের খাদ্যঃ ধান, গম, ভুট্রা, জোয়ার, যব, চিনা, কাউন প্রভৃতি মানুষের প্রধান খাদ্য যোগান দেয়। এদের মধ্যে ৪টি প্রজাতি ধান, গম, ভূট্রা ও আখ মানুষের ৬৩% শর্করার চাহিদা পুরণ করে। পৃথিবীর ৬০% মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ৩৫% মানুষের প্রধান খাদ্য গম।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। গবাদি পশু খাদ্যঃ হাজার প্রজাতির ঘাস গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া প্রভৃতি গৃহপালিত পশুর প্রধান খাদ্য। গো–খাদ্যের মধ্যে দূর্বাঘাস, কার্পেট ঘাস, ধানের খড়, গমের ভূষি, তৃণকান্ড প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। গুড় ও চিনি উৎপাদনঃ আখ থেকে গুড় ও চিনি উৎপাদন করা হয়। গুড় এবং চিনি দ্বারা বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরী হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। সুগন্ধি প্রসাধনীঃ লেমন ঘাস ও আদা ঘাস থেকে সুগন্ধি তেল এবং প্রসাধনী তৈরী করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। ওষুধ তৈরীঃ এই গোত্রের উদ্ভিদ থেকে মুল্যবান ওষুধ তৈরী হয়।
৬। ভেষজ হিসেবেঃ দুর্বাঘাস রক্তপাত বন্ধে এবং ক্ষত নিরাময়ে ভেষজ হিসেবে ব্যবহার হয়। রাই গাছের আরগট থেকে আরগট মিক্সচার তৈরী করা হয়। আরগট মিক্সচার প্রসূতির জরায়ু সঙ্কোচনের প্রতিষেধক হিসেবে প্রয়োগ করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। কাগজ তৈরীঃ বাঁশ, নলখাগড়া, উলুখড় এবং আখের ছোবড়া থেকে কাগজ তৈরী হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। জ্বালানীঃ ধান, গম, ভুট্রা, আখ, বাঁশ প্রভৃতি থেকে জ্বালানী পাওয়া যায়।
৯। নির্মাণ সামগ্রীঃ বাঁশ নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার হয়। গৃহ নির্মাণে ছন, ইকড়, কাশ প্রভৃতি ব্যবহার হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১০। শিল্পক্ষেত্রেঃ এই গোত্রের উদ্ভিদ থেকে পাউরুটি, বিস্কুট, অ্যালকোহল, ভিনেগার প্রভৃতি তৈরী করা হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১১। সৌখিন বাগান তৈরীঃ সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বাগানের লনে বিভিন্ন প্রজাতির ঘাস লাগানো হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১২। আগাছাঃ ফসলের জমিতে আগাছা জন্মে ফসলের ক্ষতি করে।
১৩। পানীয় তৈরীঃ পানীয় তৈরীতে লেমন ঘাস ও জিঞ্জার ঘাস ব্যবহার হয়।
১৪। মাদক দ্রব্যঃ চিনিকলের বর্জ্য পদার্থ হলো চিটাগুড়। চিটাগুড় থেকে ইথাইল অ্যালকোহল, মেথিলেটেড স্পিরিট এবং দেশী মদ তৈরী করা হয়।
১৫। ভূমি ধ্বস রোধেঃ ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ রাস্তা ও বাঁধের মাটির ক্ষয় রোধ করে। তাই ভূমি ধ্বস রোধে ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ লাগানো হয়।