পোয়েসী গোত্র ।। বিশ্ব অর্থনীতিতে পোয়েসী গোত্রের অবদান । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। খাদ্য নিরাপত্তাঃ পোয়েসী গোত্রের উদ্ভিদ মানুষের ৬৩% শর্করার চাহিদা পুরণ করে। পৃথিবীর ৬০% মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ৩৫% মানুষের প্রধান খাদ্য গম। পৃথিবীর প্রতিটি দেশ খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য এই গোত্রের উদ্ভিদ চাষ করে। এতে বিশ^ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এভাবে বিশ্ব অর্থনীতির দায়ভার বহন করছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। খাদ্য চাহিদা পূরণঃ পোয়েসী গোত্রের ফসল সারা বিশ্বের মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। তাই পৃথিবীর কোথাও খাদ্য অভাব দেখা দিলে যে কোন দেশ খাদ্য সহযোগীতা করে থাকে। এভাবে বিশ্ব অর্থনীতির বিপদের বন্ধু হিসেবে কাজ। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। বিশ্ব দুর্যোগ মোকাবেলাঃ বন্যা, খরা, দাবানল, শৈত্য প্রবাহ, সুনামী প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় খাদ্য চাহিদা পূরণে এই গোত্রের উদ্ভিদ বিশ্ব মানের ভূমিকা রাখে। তাই বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায়।
৪। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনঃ পোয়েসী গোত্রের উদ্ভিদ ব্যাপক ভাবে আবাদ করে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা যায়। বিশে^ এই গোত্রের ফসল বা খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এতে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ভরপুর হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। খাদ্য সামগ্রী নিশ্চিতকরণঃ পোয়েসী গোত্রের উদ্ভিদ থেকে প্রস্তুতকৃত খাদ্য সামগ্রী বিশ^বাসীর কাছে পৌছে দেয়া যায়। এতে বিশ্ব ক্ষুধা অনেকাংশে নিবারণ করা সম্ভব। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। আমদানী সমতাঃ পোয়েসী গোত্রের ফসল বিক্রি করে অর্থের বিনিময়ে অথবা ফসলের বিনিময়ে পৃথিবীর যে কোন দেশ থেকে প্রয়োজনী উপাদান আমদানী করা যায়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। কর্মসংস্থানঃ পোয়েসী গোত্রের ফসল উৎপাদন এবং এই গোত্রের ফসলের শিল্প উৎপাদনের মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। বিশ্ব শিল্পায়নঃ পোয়েসী গোত্রের বিপুল সংখ্যক উদ্ভিদ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়। শিল্পায়ন বিশ্ব অর্থনীতির চাকা হিসেবে কাজ করে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *