১। পত্ররন্ধ্রঃ পাতায় পত্ররন্ধ্রের সংখ্যা বেশি থাকলে প্রস্বেদন বেশি হয়।
২। পাতার গঠনঃ পাতায় স্পঞ্জি মেসোফিল টিস্যু বেশি থাকলে প্রস্বেদন বেশি হয়। পাতার পৃষ্ঠে রোম ও শল্ক থাকলে প্রস্বেদনের হার কমে যায়।
৩। পাতার আয়তন ও সংখ্যাঃ পাতার আয়তন ও সংখ্যা বেশি হলে প্রস্বেদন বেশি হয়। মরুজ উদ্ভিদের পাতা ছোট এবং সুচালো হয় বলে প্রস্বেদন কম হয়।
৪। মূল-কান্ড অনুপাতঃ উদ্ভিদের মূল কান্ডের অনুপাত বেশি হলে প্রস্বেদন হার বেশি হয়।
৫। জীবনীশক্তি (Vigour)ঃ সুস্থ উদ্ভিদের প্রস্বেদন হার রোগাক্রান্ত উদ্ভিদ অপেক্ষা বেশি।
৬। পত্রফলকে রোমের উপস্থিতিঃ পত্রফলক রোম বা শল্ক দিয়ে আবৃত থাকলে প্রস্বেদনের হার কমে যায়।
৭। মেসোফিল টিসুতে পানির পরিমাণঃ মেসোফিল টিস্যুতে পানির পরিমাণ বেশি হলে প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায়। আবার মেসোফিল টিস্যুতে পানির পরিমাণ কম হলে প্রস্বেদনের হার কমে যায়।
৮। হরমোনের প্রভাবঃ সাইটোকাইনিন, অ্যাবসিসিক এসিড প্রভৃতি হরমোন পত্ররন্ধ্র খুলতে সাহায্য করে। ফলে প্রস্বেদন ঘটে।
৯। প্রোটোপ্লাজমের ঘনত্বঃ প্রোটোপ্লাজমের ঘনত্ব বেশি হলে কোষের শোষণ চাপ বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্বেদন হার বেড়ে যায়।