প্রস্বেদন ।। প্রস্বেদন হ্রাসের জন্য উদ্ভিদের অভিযোজন ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। পাতা কন্টক বা শল্কপত্রে রুপান্তরঃ প্রস্বেদন হ্রাসের জন্য উদ্ভিদের পাতা কন্টক বা শল্কপত্রে রুপান্তরিত হয়। মরুজ উদ্ভিদে এরুপ পরিবর্তন লক্ষণীয়। ফণিমনসা ও ক্যাকটাস উদ্ভিদের পাতা কন্টকে রুপান্তরিত হয়েছে।

২। পাতায় কিউটিকলের আবরণঃ পাতায় কিউটিন জমা হয়ে পুরু আবরণী গঠন করে। এই আবরণী প্রস্বেদন অনেকটা কমিয়ে দেয়।

৩। পাতায় রোমের আবরণঃ পাতা ঘনরোম দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে। এই কারণে প্রস্বেদন হ্রাস পায়।

৪। পাতার ঘনসন্নিবেশঃ পাতা ঘনসন্নিবিষ্ট ভাবে জন্মালে প্রস্বেদন কম হয়।

৫। লুকায়িত পত্ররন্ধ্রঃ মরুজ উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র লুক্কায়িত থাকে। একে ডুবন্ত পত্ররন্ধ্র বলে। পত্ররন্ধ্র লুক্কায়িত থাকায় প্রস্বেদন হ্রাস পায়।

৬। পত্রঝরাঃ শাল, সেগুন, মেহগনি, কড়ই প্রভৃতি উদ্ভিদের পাতা শীতকালে ঝরে যায়। ফলে প্রস্বেদন হ্রাস পায়।

৭। মোম ও রেজিনের আবরণঃ প্রস্বেদন রোধ করার জন্য পাতায় মোম ও রেজিনের আবরণী দেখা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *