১। খাদ্য উৎপাদনঃ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরী করে। C3 চক্রে উৎপন্ন খাদ্য গøুকোজ এবং C4 চক্রে উৎপন্ন খাদ্য হলো পাইরুভিক এসিড।
২। প্রাণীর খাদ্যঃ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন খাদ্য উদ্ভিদ দেহে সঞ্চিত থাকে। প্রাণীরা উদ্ভিদকে খাদ্য হিসেবে
গ্রহণ করে।
৩। শক্তির রুপান্তরঃ এই প্রক্রিয়ায় সৌর শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। পৃথিবীতে সালোকসংশ্লেষণ হলো শক্তি রুপান্তরের প্রক্রিয়া।
৪। প্রাণীর শ্বসনঃ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শর্করা শ্বসনিক বস্তু হিসেবে ব্যবহার হয়।
৫। পরিবেশ দুষণ রোধঃ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় CO2 গৃহীত হয় এবং O2 নির্গত হয়। ফলে O2 ও CO2 এর ভারসাম্য রক্ষা পায় এবং পরিবেশের দুষণ রোধ হয়।
৬। তাপমাত্রা রক্ষাঃ সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ সৌর শক্তি শোষণ করে। এতে পৃথিবীতে তাপমাত্রা আবদ্ধ থাকে। ফলে পরিবেশের তাপমাত্রা সহনীয় হয়।
৭। উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধিঃ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য উৎপন্ন করে। এই খাদ্য উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটায়। তাই উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধিতে সালোকসংশ্লেষণের ভূমিকা রয়েছে।
৮। মানব সভ্যতার বিকাশঃ মানবসভ্যতার অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্তু, ওষুধ, জ্বালানী, আসবাবপত্র, কাগজ প্রভৃতি সালোসংশ্লেষণের অবদান।
৯। উৎপাদকঃ সবুজ উদ্ভিদ হলো উৎপাদক। এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরী করে। জীবজগত উৎপাদকের উপর নির্ভরশীল।
১০। চিকিৎসায়ঃ চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত মরফিন, কুইনাইন, রেসারপিন, বেলাডোনাসহ অসংখ্য ওষুধ উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। এসব ওষুধ সালোকসংশ্লেষণের ফল।