১। কোষের বয়সঃ মাঝারি বয়সের কোষে শ^সন বেশি ঘটে। বেশি বয়স এবং কম বয়সের কোষে শ্বসন হার কম হয়।
২। প্রোটোপ্লাজমের ঘনত্বঃ কোষের প্রোটোপ্লাজমের ঘনত্ব বেশি হলে শ্বসন হার বেশি হয়।
৩। কোষস্থ পানিঃ কোষস্থ পানির পরিমাণ বেশি হলে শ্বসন হার বৃদ্ধি পায়।
৪। এনজাইমঃ শ^সন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ব্যবহার হয়। এনজাইমের কার্যকারীতায় শ্বসন হার বৃদ্ধি পায়।
৫। শ্বসনিক বস্তুঃ শ^সনিক বস্তুর স্থিতিশক্তি গতি শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। শ্বসনিক বস্তু শ্বসন হারকে বৃদ্ধি করে।
৬। অজৈব লবণঃ কোষে অজৈব লবণের পরিমাণ বেশি হলে শ^সন হার বৃদ্ধি পায় এবং কম হলে শ্বসন হার হ্রাস পায়। মাটিতে NaCl, KCl, CaCl ও MgCl এর দ্রবণের সরবরাহ বৃদ্ধি ঘটিয়ে শ^সন হার বৃদ্ধি করা যায়।
৭। জটিল খাদ্য দ্রব্যঃ সরল খাদ্য গ্লুকোজ শ^সন ক্রিয়ার প্রধান শ^সনিক বস্তু। বিভিন্ন বিক্রিয়ায় কোষস্থ জটিল খাদ্য গ্লুকোজে রুপান্তরিত হয়। তাই জটিল খাদ্য দ্রব্যের পরিমাণ ও প্রকৃতি শ^সন প্রক্রিয়ার হারকে নিয়ন্ত্রণ করে।
৮। আঘাতঃ উদ্ভিদ দেহে আঘাত বা ঘর্ষণের কারণে শ্বসন বৃদ্ধি পায়।