গ্লুকোজের কর্মক্ষমতা

এক মোল গ্লুকোজ পোড়ালে ৬৮৬ কিলোক্যালরী বা ২৮৭০ কিলো জুল শক্তি উৎপন্ন হয়। কিন্তু বায়োলজিক্যাল পদ্ধতিতে মাত্র ৩৬০ কিলোক্যালরী শক্তি পাওয়া যায়। বাকি শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিটি ATP হতে ১০ কিলোক্যালরী হিসেবে ৩৬টি ATP থেকে ৩৬০ কিলোক্যালরী শক্তি পাওয়া যায়। ফলে গ্লুকোজের কর্মক্ষমতা = (360×100) ÷ 686 = 52.47% অনেকের মতে ৪০%

আধুনিক মতে উৎপাদিত ATP এর পরিমাণ

2 ATP + 2 NADPH2 + 2 NADPH2 + 2 ATP + 2 FADH2+ 6 NADPH2

= 2 ATP +2×2.5 ATP +2×2.5 ATP +2 ATP +2×1.5 ATP +6×2.5 ATP

= 32 ATP

ফলে গ্লুকোজের কর্মক্ষমতা = (320×100) ÷ 686 =  46.65%

আধুনিক ধারণায়, অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণরুপে জারিত হয়ে ৩৬টি ATP উৎপন্ন হয়। ১টি ATP তৈরীর জন্য .১৫ কিলোক্যালোরী বা ৩৪.২৩ কিলো জুল শক্তি প্রয়োজন হয়। তাহলে, ৩৬টি ATP তৈরীর জন্য 36×8.15 = 293.4 কিলোক্যালোরী বা 36×34.23 = 1232.28 কিলো জুল (পুরানো ধারণা . কিলো জুল) শক্তি প্রয়োজন হয়। ১৮০ গ্রাম øুকোজে ৬৮৬ কিলোক্যালোরী শক্তি থাকে, এর মধ্যে ৩৬টি ATP তৈরীতে ২৯৩. কিলোক্যালোরী বা ১২৩২.২৮ কিলো জুল শক্তি দরকার হয়। অবশিষ্ট (৬৮৬২৯৩.) ৩৯২. কিলোক্যালোরী বা ১৬৪৮.৯২ কিলো জুল তাপশক্তি হিসেবে পরিবেশে মুক্ত হয়। অর্থাৎ মোট শক্তির প্রায় ৪৫% ATP তৈরীতে ব্যবহার হয় এবং ৫৫% তাপশক্তি হিসেবে নির্গত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *