ডিম্বক ।। ডিম্বকের গঠন ।। Structure of ovule

১। ডিম্বকনাড়ীঃ ডিম্বকের বোটার মতো অংশকে ডিম্বকনাড়ী বলে। বোটার সাহায্যে ডিম্বক অমরার সাথে যুক্ত থাকে। কোন কোন প্রজাতিতে ডিম্বকনাড়ী ডিম্বকত্বক এক সাথে যুক্ত হয়ে র‌্যাফি গঠন করে।

২। ডিম্বকনাভীঃ ডিম্বকের যে স্থানে ডিম্বকনাড়ী যুক্ত থাকে সেই স্থানকে ডিম্বকনাভী বলে।

৩। ডিম্বকত্বকঃ ডিম্বক যে আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে তাকে ডিম্বকত্বক বলে। ইহা দুই স্তর বিশিষ্ট। বহিঃত্বক এবং অন্তঃত্বক।

৪। নিউসেলাসঃ ডিম্বকত্বক দ্বারা আবৃত ডিম্বকের  প্রধান অংশকে নিউসেলাস বলে।

৫। ডিম্বকমূলঃ ডিম্বকের গোড়ার অংশকে ডিম্বকমূল বলে।

৬। ডিম্বকরন্ধ্রঃ ডিম্বকের অগ্রপ্রান্তে যে ছিদ্র থাকে তাকে ডিম্বকরন্ধ্র বলে। এর মধ্য দিয়ে শুক্রাণু ভিতরে প্রবেশ করে।

৭। ভ্রুণথলীঃ নিউসেলাসের ভিতরে অবস্থিত থলির মতো অংশকে ভ্রুণথলী বলে। এতে গর্ভযন্ত্র, প্রতিপাদ কোষ সেকেন্ডারী নিউক্লিয়াস থাকে।

(i) গর্ভযন্ত্রঃ ভ্রুণথলীর ডিম্বকরন্ধ্রের নিকটের তিনটি কোষকে একত্রে গর্ভযন্ত্র বলে। এদের মধ্যে মাঝখানের বড় কোষটিকে ডিম্বাণু এবং দুই পাশের ছোট কোষ দুটিকে সহকারী কোষ বলে।

(ii) প্রদিপাদ কোষঃ ভ্রুণথলীর ডিম্বকমূলের দিকের তিনটি কোষকে একত্রে প্রতিপাদ কোষ বলে।

(iii) সেকেন্ডারী নিউক্লিয়াসঃ দুই মেরু থেকে দুইটি নিউক্লিয়াস ভ্রুণথলীর মাঝখানে আসে এবং মিলিত হয়ে সেকেন্ডারী নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *