১। উদ্ভিদের যেকোন টিস্যু থেকে চারা উৎপাদন করা যায়।
২। মাতৃ গুণাবলী অক্ষুন্ন থাকে।
৩। অল্প সময়ে অধিক চারা উৎপাদন করা যায়।
৪। বীজ উৎপন্ন করে না এমন উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি করা যায়।
৫। বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
৬। যেকোন ঋতুতে চারা উৎপাদন করা যায়।
৭। বিদেশী জাতের উদ্ভিদ থেকে দেশী আবহাওয়া উপযোগী জাত সৃষ্টি করা যায়।
৮। অল্প খরচে বাণিজ্যিক ভাবে চারা উৎপাদন করা যায়।
৯। ভাইরাস মুক্ত চারা উৎপাদন করা হয়।
১০। বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা সহজ।
১১। অঙ্গজ ও কলমে অক্ষম উদ্ভিদের চারা উৎপাদন।