কৃষি অর্থনীতি ।। কৃষি অর্থনীতিতে টিস্যু কালচারের ভূমিকা ।। Roleof economics

(i) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল, পরাগরেণু প্রভৃতি অঙ্গ থেকে নতুন চারা উৎপাদন করা হয়। ফসলী উদ্ভিদের যে কোন অংশ থেকে নতুন চারা উৎপাদন করে কৃষি উন্নয়ন ঘটানো হয়। এতে খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়।
(ii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ফল জাতীয় উদ্ভিদের চারা উৎপাদন করা হয়। এসব চারা রোপন করে ফলের উৎপাদন বাড়ানো হয়। ফল খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। অতিরিক্ত ফল বিক্রয় করা হয়।
(iii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ফল জাতীয় উদ্ভিদের চারা উৎপাদন করে বিক্রয় করা হয়। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
(iv) এই প্রক্রিয়ায় অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ ফুলের চারা উৎপাদন করে বিক্রয় করা হয়। ফলে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হওয়া যায়।
(v) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ফসলী উদ্ভিদে বীজ উৎপাদন করা হয়। এসব বীজ বিক্রয় করে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটানো যায়।
(vi) এই প্রক্রিয়ায় যেকোন ঋতুতে চারা উৎপাদন করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। এতে দেশের ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
(vii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় অল্প খরচে বাণিজ্যিক ভাবে চারা উৎপাদন করা যায়। উৎপন্ন চারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌছে দেওয়া হচ্ছে। ফলে কৃষির নতুন দিগন্ত উন্মচিত হচ্ছে।
(viii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ভাইরাস মুক্ত চারা উৎপাদন করা হয়। ভাইরাস মুক্ত চারা রোগাক্রান্ত হয় না। তাই কৃষি জমিতে কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ছিটাতে হয় না। এতে উৎপাদন ব্যয় কম হয় এবং পরিবেশ দুষণ মুক্ত হয়।
(ix) মালয়েশিয়ায় Oil palm এর টিস্যু কালচার করা হয়। দেশটি পাম তেল বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। থাইল্যান্ডে বিভিন্ন ধরনের অর্কিডের টিস্যু কালচার করে ফুল উৎপাদন করা হয় এবং ফুল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
কৃষি অর্থনীতিতে ভূমিকা (Roleof economics)
(i) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল, পরাগরেণু প্রভৃতি অঙ্গ থেকে নতুন চারা উৎপাদন করা হয়। ফসলী উদ্ভিদের যে কোন অংশ থেকে নতুন চারা উৎপাদন করে কৃষি উন্নয়ন ঘটানো হয়। এতে খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়।
(ii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ফল জাতীয় উদ্ভিদের চারা উৎপাদন করা হয়। এসব চারা রোপন করে ফলের উৎপাদন বাড়ানো হয়। ফল খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। অতিরিক্ত ফল বিক্রয় করা হয়।
(iii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ফল জাতীয় উদ্ভিদের চারা উৎপাদন করে বিক্রয় করা হয়। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
(iv) এই প্রক্রিয়ায় অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ ফুলের চারা উৎপাদন করে বিক্রয় করা হয়। ফলে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হওয়া যায়।
(v) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ফসলী উদ্ভিদে বীজ উৎপাদন করা হয়। এসব বীজ বিক্রয় করে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটানো যায়।
(vi) এই প্রক্রিয়ায় যেকোন ঋতুতে চারা উৎপাদন করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। এতে দেশের ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
(vii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় অল্প খরচে বাণিজ্যিক ভাবে চারা উৎপাদন করা যায়। উৎপন্ন চারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌছে দেওয়া হচ্ছে। ফলে কৃষির নতুন দিগন্ত উন্মচিত হচ্ছে।
(viii) টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় ভাইরাস মুক্ত চারা উৎপাদন করা হয়। ভাইরাস মুক্ত চারা রোগাক্রান্ত হয় না। তাই কৃষি জমিতে কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ছিটাতে হয় না। এতে উৎপাদন ব্যয় কম হয় এবং পরিবেশ দুষণ মুক্ত হয়।
(ix) মালয়েশিয়ায় Oil palm এর টিস্যু কালচার করা হয়। দেশটি পাম তেল বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। থাইল্যান্ডে বিভিন্ন ধরনের অর্কিডের টিস্যু কালচার করে ফুল উৎপাদন করা হয় এবং ফুল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *