(i) উদ্ভিদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ খাদ্য উৎপাদনকারী উদ্ভিদকে ক্ষতিকর পোকা-মাকড় ও কীটপতঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়।
(ii) গুণগত মান বৃদ্ধিঃ গবাদি পশুর মাংস, দুধ, ডিমের পরিমাণ ও গুণগত মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
(iii) উদ্ভিদ রোগ নির্ণয়ঃ বিভিন্ন উদ্ভিদের রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ধান, গম, আখ, ভূট্রা, আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু প্রভৃতি উদ্ভিদের রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
(iv) পীড়ন প্রতিরোধঃ উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ, কীট-পতঙ্গ প্রতিরোধ এবং প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার উপযোগী জিন অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যেমন- Bt toxin জিন CrylAC এবং লবণাক্ত সহিঞ্চু জিন CPDH 45।
(v) নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টিঃ উদ্ভিদের মান উন্নয়নের জন্য উন্নত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জিন অনুসন্ধান এবং তা সফলভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
(vi) বন্য জীবে প্রজননঃ বন্য জীবজন্তু তথা বাঘ, সিংহ, হাতি প্রভৃতির প্রজননে DNA সিকোয়েন্সিং কৌশল প্রয়োগ করা হচ্ছে।
(vii) পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনঃ বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম ও তাঁর সহযোগীরা তোষা পাটের (Corchorus olitorius) জিনোম সিকোয়েন্সিং তথা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন। পাটের বেস পেয়ার ১২০ কোটি। এরা কোন অনুক্রমে সজ্জিত আছে তা জানা হয়েছে। এর ফলে মিহি আঁশের পাট, তুলার মতো শক্ত আঁশের পাট, শীতকালীন পাট, ঔষধী পাট, সহজে পচনযোগ্য পাট, কীট-পতঙ্গ প্রতিরোধক পাট প্রভৃতি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে।
(viii) RNAi পদ্ধতিঃ বাংলাদেশে মুগডালের হলুদ মোজাইক ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছে। RNAi পদ্ধতি ব্যবহার করে রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
(ix) রোগ প্রতিরোধী টমেটোঃ টমেটোর পাতা কোকড়ানো রোগ সৃষ্টিকারী ToLCV ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছে। ToLCV পদ্ধতি ব্যবহার করে রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।