১। তরুণাস্থির কোন রক্তনালি বা লসিকা থাকে না।
২। এতে স্নায়ু প্রবাহ থাকে না অর্থাৎ সংবেদনহীন।
৩। এতে ক্ষত হলে নিরাময়ে বেশি সময় লাগে।
৪। পেরিকনড্রিয়াম আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে।
৫। এতে ক্যালসিয়ামের পরিবর্তে কনড্রয়টিন থাকে।
৬। তরুণাস্থিতে ক্যালসিয়াম জমা হলে কোষগুলো মারা যায়।
৭। তরুণাস্থি ধীরে ধীরে অস্থিতে পরিনত হয়।
৮। এত লুব্রিসিন থাকে যা লুব্রিকেটর হিসেবে কাজ করে।