হৃৎপেশীর কোষ গুলো দেখতে লম্বা, নলাকার শাখান্বিত। এর দৈর্ঘ্য ০.৮ মিমি এবং ব্যাস ১২–১৫ মাইক্রোমিটার।
১। সারকোলেমাঃ ইহা সারকোলেমা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
২। সারকোপ্লাজমঃ পেশির সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। এতে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।
৩। নিউক্লিয়াসঃ প্রতিটি কোষের কেন্দ্রভাগে একটি নিউক্লিয়াস। ইহা কোষের জৈবিক কাজ করে।
৪। মায়োফাইব্রিলঃ কোষের দৈর্ঘ্য বরাবর মায়োফাইব্রিল তন্তু থাকে। মায়োফাইব্রিলের গায়ে ডোরাকাটা দাগ থাকে।
৫। ইন্টারক্যালেটেড ডিস্কঃ পাশাপাশি অবস্থিত দুটি সারকোলেমা মিলিত হয়ে একটি ডিস্ক গঠন করে। এক ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক বলে। ইহা হৃৎপেশির অন্যতম শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।