মোলাস্কা পর্বের শ্রেণীবিভাগ ।। Classification ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Mollusca পর্বকে ৫টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১। কাউডোফোভিটাঃ এরা ২-১৪০ মিমি লম্বা। দেহ কাইটিনাস কিউটিকল দ্বারা আবৃত। এরা সামুদ্রিক।
২। পলিপ্ল্যাকোফোরাঃ এরা ৮ মিমি থেকে ৩৩ সেমি লম্বা। দেহ কাইটিন দ্বারা আবৃত।
৩। গ্যাস্ট্রোপোডঃ এদের দেহ নরম, মাংসাল এবং অখন্ডায়িত। দেহ ম্যান্টল দ্বারা আবৃত।
৪। বাইভালভিয়াঃ এদের হিমোলিম্ফ তরল থাকে। ক্যালসিয়াম কার্বনেট নির্মিত দুইটি খোলক থাকে।
৫। সেফালোপোডাঃ এরা আট বাহু বিশিষ্ট সামুদ্রিক প্রাণী। দেহে শক্ত খোলস নাই। আটটি শুঁড় পা (সেফালোপোড) থাকে। এরা নিশাচর।

মোলাস্কা পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। Mollusca ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ল্যাটিন শব্দ molluscus অর্থ নরম নিয়ে Mollusca শব্দটি গঠিত। যে সকল প্রাণীর দেহ নরম, অপ্রতিসম বা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, খন্ডবিহীন, সিলোমযুক্ত, মাংসল পদবিশিষ্ট এবং বহিঃকঙ্কাল ক্যালসিয়াম কার্বনেট নির্মিত তাদেরকে মোলাস্কা বলে। মোলাস্কা প্রাণিজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্ব। তবে ইহা সামুদ্রিক বৃহত্তম পর্ব। সমুদ্রের ২৩% হলো মোলাস্কা। এই পর্বের প্রাণী থেকে মূল্যবান মুক্তা, টাইরিয়ান পার্পল ডাই, সি সিল্ক, চুন প্রভৃতি পাওয়া যায়। এ পর্বের জায়ান্ট স্কুইড লম্বায় ১২ মিটার এবং ওজন ২৭০ কেজি। স্থলবাসী শামুক (Achatina fulica) ও স্নাক ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে এবং শস্যের বালাই নামে পরিচিত। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ১,০০,০০০। Jonston (১৬৫০) Mollusca পর্বের নামকরণ করেন।

মোলাস্কা পর্বের বৈশিষ্ট্য
১। এদের দেহ নরম, মাংসাল এবং অখন্ডায়িত।
২। এরা সিলোমেট, অপ্রতিসম বা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম এবং সুস্পষ্ট মস্তক বিশিষ্ট।
৩। দেহের অঙ্কীয় তলে পেশিযুক্ত মাংসাল পা থাকে।
৪। দেহ ম্যান্টল নামক পাতলা আবরণী দ্বারা আবৃত। ম্যান্টাল থেকে ক্ষরিত চুনময় পদার্থ খোলক গঠন করে।
৫। ফুলকা ও ম্যান্টাল পর্দা দ্বারা শ^সন ঘটে। স্থলচরদের ক্ষেত্রে পালমোনারী থলির বিকাশ ঘটে।
৬। পরিপাকতন্ত্রে কাইটিন নির্মিত রেতি-জিহ্বা বা র‌্যাডুলা থাকে।
৭। দেহগহŸর খুব সংক্ষিপ্ত এবং হিমোসিলে পরিনত হয়েছে। সংবহনতন্ত্র অর্ধমুক্ত ধরনের।
৮। পৌষ্টিক নালি সোজা, প্যাচানো অথবা U আকৃতির।
৯। রক্তে হিমোসায়ানিন (আমিষ ও কপার) ও অ্যামিবোসাইট কণিকা থাকে।
১০। সিলোম শুধু হৃদযন্ত্রের চার পাশে, জননাঙ্গের গহ্বরে এবং বৃক্কে সীমাবদ্ধ।
১১। একলিঙ্গ বা উভয় লিঙ্গ প্রাণী। এদের যৌনজনন ঘটে।
১২। জীবনচক্রে ট্রকোফোর, ভেলিজার বা গøচিডিয়াম লার্ভা থাকে।
১৩। এরা সমুদ্রের লবণাক্ত পানি, স্বাদু পানি, ডাঙ্গার বা গর্তে বাস করে।

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ নরম দেহ, মস্তক, মাংসাল পা, ম্যান্টল, র‌্যাডুলা, হিমোসিল, হিমোসায়ানিন, ট্রকোফোর, ভেলিজার, গøচিডিয়াম]

নেমাটোডা পর্বের কয়েকটি প্রাণী, উদাহরণ ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গোল কৃমিAscaris lumbricoides

চোখের কৃমিLoa loa

হুক কৃমিAncylostoma doudenale

হুক কৃমিNecator americanus

গুড়া কৃমিEnterobius vermicularis

গোদরোগের কৃমি- Wuchereria bancroftis  

চাবুক কৃমিTrichinella spiralis

ট্রাইচুরিসTrichuris trichiura

ডিওক্টোফাইমিDioctophyme renale

মুক্তজীবী গোলকৃমিCaenorhabditis elegans

নেমাটোডা পর্বের শ্রেণীবিভাগ ।। Nematoda Classification ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Nematoda পর্বকে ২টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১। সেকারনেন্টিয়া/ফাসমিডিয়াঃ এদের ফ্যাসমিড উপস্থিত। ছিদ্র সদৃশ অ্যাম্ফিডস থাকে। রেচনতন্ত্র উপস্থিত। যেমন- গোল কৃমি (Ascaris lumbricoides)।
২। অ্যাডেনোফোরি/অ্যাফাসমিডিয়াঃ এদের ফ্যাসমিড অনুপস্থিত। অ্যাম্ফিডসগুলো ছিদ্রের মতো না। কাউডাল আঠালো গ্রন্থি উপস্থিত। যেমন- চাবুক কৃমি (Trichinella spiralis)।

[যৌন দ্বিরুপতাঃ একই প্রজাতির পুরুষ ও স্ত্রী সদস্যের আকার, আকৃতি ও বর্ণ পৃথক হলে তাকে যৌন দ্বিরুপতা বলে]

নেমাটোডা পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। Nematoda । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ nematos অর্থ সূতা, eidos অর্থ আকৃতি এবং helminth অর্থ কৃমি নিয়ে Nematoda শব্দটি গঠিত। যে সকল প্রাণীর দেহ নলাকার, কিউটিকলযুক্ত, খন্ডবিহীন, দ্বিপাশর্^ীয় প্রতিসম এবং অপ্রকৃত সিলোমযুক্ত তাদেরকে নেমাটোডা বলে। এ পর্বের প্রাণিরা সূতাকৃমি বা গোলকৃমি নামে পরিচিত। দেহের গঠন ‘নলের ভিতর নল’ এর মতো। এরা মানবদেহে অ্যাসকেরিয়েসিস, এলিফ্যান্টটিয়াসিস, কনজাংটিভাইটিস, পেট ব্যথা, ট্রাইচুরিয়াসিস প্রভৃতি রোগ সৃষ্টি করে। নাইট্রোজেন চক্রে এরা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে। সমুদ্রের তলদেশে ৯০% প্রজাতি নেমাটোড। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ২৫,০৩৩টি। পূর্বে এরা Nemathelminthes বা Aschelminthes নামে পরিচিত ছিল। Nemathelminthes পর্বটির নামকরণ করেন বিজ্ঞানী Gagenbaur (১৮৫১)।

নেমাটোডা পর্বের বৈশিষ্ট্য
১। দেহ লম্বা, নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, উভয় প্রান্ত সরু এবং মধ্যভাগ চওড়া। গোলকৃমি নামে পরিচিত।
২। দেহ অখন্ডায়িত, সিলিয়াযুক্ত এবং পুরু কিউটিকল দ্বারা আবৃত।
৩। দেহ নমনীয় এবং ইলাস্টিন নির্মিত।
৪। দেহে অপ্রকৃত সিলোম বিদ্যমান।
৫। এরা এক লিঙ্গিক এবং যৌন জননে দ্বিরুপতা দেখা যায়।
৬। পৌষ্টিক নালি সম্পুর্ণ, সোজা, শাখাবিহীন এবং মুখ হতে পায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। তাই দেহের গঠন নলের ভিতর নল এর মতো মনে হয়।
৭। মুখ ছিদ্র বৈশিষ্ট্যপুর্ণ ওষ্ঠ দ্বারা পরিবেষ্টিত।
৮। শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত।
৯। জীবনচক্রে র‌্যাবডিটিফর্ম বা মাইক্রোফাইলেরিয়া লার্ভা দশা বিদ্যমান।
১০। এরা স্থলচর বা জলচর, মুক্তজীবী বা পরজীবী।

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ দ্বিরুপতা, নলের ভিতর নল, ওষ্ঠ, র‌্যাবডিটিফর্ম, মাইক্রোফাইলেরিয়া]

শিখাকোষ কী ।। flame cell ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

শিখাকোষ হলো রেচন অঙ্গের একটি অংশ। কোষগুলো গর্তবিশিষ্ট বাল্ব আকৃতির। ইহা মেসোডার্মের টিউবের সাথে যুক্ত থাকে। এতে গুচ্ছাকারে সিলিয়া থাকে। সিলিয়াগুলো টিউবের ভিতরে প্রচন্ড ভাবে আন্দোলিত হয়ে পানির স্রোত সৃষ্টি করে। ফলে বর্জ্য পদার্থ নির্গমন ছিদ্রের মধ্য দিয়ে বাইরে নির্গত হয়। এভাবে ইহা রেচন কাজে সাহায্য করে।

প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের কয়েকটি প্রাণী ।। প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের উদাহরণ ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যকৃত কৃমি- Fasciola hepatica   

ফিতা কৃমি- Taenia solium   

কুকুরের ফিতাকৃমি- Echinococcus granulosus 

মুক্তজীবী চ্যাপ্টাকৃমি- Dugesia tigrina

হাতুরী মস্তক কৃমি- Bipalium kewense        

মানুষের রক্তকৃমি- Schistosoma mansoni   

ব্যাঙের কৃমি- Polystoma integrimum   

জাইরোডেকটাইলাস- Gyrodactylus corti            

ডেক্টাইলোজাইরাস- Dactylogyrus alatus

কনভোলুটা- Convoluta convoluta    

মাইক্রোস্টোমাম- Microstomum lineare        

থাইসানোজন- Thysanozoon brocchii       

ভেড়ার কৃমি- Dicrocoelium dendriticum

প্লাটিহেলমিনথিস পর্বের শ্রেণীবিভাগ ।। Classification ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Platyhelminthes পর্বকে ৪টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১। টুরবেলারিয়াঃ এদের দেহ পাতার মতো চ্যাপ্টা। দেহে কিউটিকল অনুপস্থিত। এপিডার্মিস সিলিয়াযুক্ত এবং র‌্যাবডাইট বিশিষ্ট্য। চোষক অনুপস্থিত। লার্ভা দশা অনুপস্থিত। এরা এডিওয়াম নামে পরিচিত। যেমন- প্লানেরিয়া (Dugesia tigrina).
২। ট্রেমাটোডাঃ এরা নলাকার বা পাতার মতো চ্যাপ্টা। দেহে সিলিয়া অনুপস্থিত। মুখে চোষক বা হুক থাকে। লার্ভা দশা উপস্থিত। এরা ফ্লুক (Fluke) নামে পরিচিত। যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica).
৩। মনোজেনিয়াঃ এরা ছোট পরজীবী। এদের মাথায় স্নায়ুকোষ এবং সংবেদী অঙ্গ বিদ্যমান। পৌষ্টিকনালি সরল প্রকৃতির। এরা ফ্ল্যাটওয়াম নামে পরিচিত। যেমন- প্লানেরিয়া (Dugesia tigrina).
৪। সেস্টোডাঃ এদের দেহ দীর্ঘ এবং চ্যাপ্টা ফিতার মতো। ৮০০-৯০০টি প্রোগ্লোটিড খন্ড দ্বারাগঠিত। প্রতিটি খন্ডে এক বা দুই সেট পুরুষ অথবা স্ত্রীজনন অঙ্গ থাকে। মুখে চোষক ও বাঁকা হুক থাকে। মুখছিদ্র ও খাদ্যনালি অনুপস্থিত। এরা টেপওয়ার্ম নামে পরিচিত। যেমন- ফিতা কৃমি (Taenia solium).

প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। Platyhelminthes ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ platy অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminth অর্থ কৃমি নিয়ে Platyhelminthes শব্দটি গঠিত। এ পর্বের প্রাণিরা চ্যাপ্টাকৃমি বা ফিতাকৃমি নামে পরিচিত। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ২৯,৪৮৭টি। Platyhelminthes পর্বটির নামকরণ করেন বিজ্ঞানী গগেনবার (Gagenbaur, ১৮৫৯)। গণের কয়েকটি চ্যাপ্টাকৃমি মানুষের সিস্টোসোমাসিস বা শামুক জ্বর (snail fever) রোগ সৃষ্টি করে।

প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের বৈশিষ্ট্য
১। এরা ট্রিপ্লোব্লাস্টিক প্রাণী। অর্থাৎ দেহে এক্টোডার্ম, এন্ডোডাম ও মেসোডার্ম নামক কোষ স্তর থাকে।
২। দেহ দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম এবং পাতা বা ফিতার মতো চ্যাপ্টা।
৩। এরা অ্যাসিলোমেট। বিভিন্ন অঙ্গের ফাঁকে ফাঁকে প্যারেনকাইমা বা কোলেনকাইমা কোষ থাকে।
৪। দেহ ত্বক নরম, সিলোমবিহীন সিলিয়া বা কিউটিকল যুক্ত।
৫। মুখে চোষক অথবা হুক অথবা প্রোগ্লোটিড থাকে।
৬। রেচনতন্ত্র শিখাকোষ বা ফ্লেম সেল দ্বারা গঠিত।
৭। স্নায়ুতন্ত্র মই সদৃশ এবং গ্যাংলিয়া ও অঙ্কীয় স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত।
৮। এদের এপিডার্মিস বা আবরণী কলা সিনসাইসিয়াল দ্বারা গঠিত।
৯। রক্ত সংবহণতন্ত্র ও শ্বসনতন্ত্র অনুপস্থিত।
১০। পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পুর্ণ, শাখাযুক্ত এবং মুখ, গলবিল ও অন্ত্র দ্বারা গঠিত। পায়ু ছিদ্র থাকে না।
১১। এদের স্বনিষেক ঘটে। জীবনচক্রে রেডিয়া, সারকোরিয়া, স্পোরোসিস্ট, সিস্টিসারকাস প্রভৃতি লার্ভা থাকে।

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ ট্রিপ্লোব্লাস্টিক, চ্যাপ্টা, প্যারেনকাইমা, স্বনিষেক, চোষক, হুক, শিখাকোষ, সিনসাইসিয়াল]

প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। Platyhelminthes ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ platy অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminth অর্থ কৃমি নিয়ে Platyhelminthes শব্দটি গঠিত। এ পর্বের প্রাণিরা চ্যাপ্টাকৃমি বা ফিতাকৃমি নামে পরিচিত। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ২৯,৪৮৭টি। Platyhelminthes পর্বটির নামকরণ করেন বিজ্ঞানী গগেনবার (Gagenbaur, ১৮৫৯)। গণের কয়েকটি চ্যাপ্টাকৃমি মানুষের সিস্টোসোমাসিস বা শামুক জ্বর (snail fever) রোগ সৃষ্টি করে।

 

প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের বৈশিষ্ট্য

১। এরা ট্রিপ্লোব্লাস্টিক প্রাণী। অর্থাৎ দেহে এক্টোডার্ম, এন্ডোডাম ও মেসোডার্ম নামক কোষ স্তর থাকে।

২। দেহ দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম এবং পাতা বা ফিতার মতো চ্যাপ্টা।

৩। এরা অ্যাসিলোমেট। বিভিন্ন অঙ্গের ফাঁকে ফাঁকে প্যারেনকাইমা বা কোলেনকাইমা কোষ থাকে।

৪। দেহ ত্বক নরম, সিলোমবিহীন সিলিয়া বা কিউটিকল যুক্ত।

৫। মুখে চোষক অথবা হুক অথবা প্রোগ্লোটিড থাকে।

৬। রেচনতন্ত্র শিখাকোষ বা ফ্লেম সেল দ্বারা গঠিত।

৭। স্নায়ুতন্ত্র মই সদৃশ এবং গ্যাংলিয়া ও অঙ্কীয় স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত।

৮। এদের এপিডার্মিস বা আবরণী কলা সিনসাইসিয়াল দ্বারা গঠিত।

৯। রক্ত সংবহণতন্ত্র ও শ্বসনতন্ত্র অনুপস্থিত।

১০। পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পুর্ণ, শাখাযুক্ত এবং মুখ, গলবিল ও অন্ত্র দ্বারা গঠিত। পায়ু ছিদ্র থাকে না।

১১। এদের স্বনিষেক ঘটে। জীবনচক্রে রেডিয়া, সারকোরিয়া, স্পোরোসিস্ট, সিস্টিসারকাস প্রভৃতি লার্ভা থাকে।

 

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ ট্রিপ্লোব্লাস্টিক, চ্যাপ্টা, প্যারেনকাইমা, স্বনিষেক, চোষক, হুক, শিখাকোষ, সিনসাইসিয়াল]