সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জননে অংশগ্রহণকারী পরিবর্তিত বিটপকে ফুল বলে। একটি আদর্শ ফুলের বিভিন্ন অংশ হলো-
১। পুষ্পাক্ষ (Floral axix)ঃ যে অক্ষের উপর ফুলের চারটি স্তবক সাজানো থাকে তাকে পুষ্পাক্ষ বলে।
২। বৃতি (Calyx)ঃ পুষ্পের সবচেয়ে বাইরের সবুজ বর্ণের প্রথম স্তবককে বৃতি বলে। বৃতির প্রতিটি সদস্যকে বৃত্যংশ বা Sepal বলে। বৃতির বাইরে উপবৃতি বা Epicalyx থাকে।
৩। দলমন্ডল (Corolla)ঃ বৃতির ভিতরে অবস্থিত ফুলের দ্বিতীয় স্তবককে দলমন্ডল বলে। দলমন্ডলের প্রতিটি সদস্যকে দলাংশ বা পাপড়ি বা Petal বলে। পাপড়ি সাধারণত রং-বেরঙের হয়।
৪। পুংস্তবক (Androecium)ঃ দলমন্ডলের ভিতরে অবস্থিত ফুলের তৃতীয় স্তবককে পুংস্তবক বলে। পুংস্তবকের প্রতিটি সদস্যকে পুংকেশর বা Stamen বলে।
৫। স্ত্রীস্তবক (Gynoecium)ঃ ফুলের সবচেয়ে ভিতরের স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলে। স্ত্রীস্তবকের প্রতিটি সদস্যকে স্ত্রীকেশর বা Carpel বলে।
Category: Biology Second Paper
শিরাবিন্যাস কী। কত প্রকার ও কী কী । Venation । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
পাতার মধ্যশিরা, শিরা এবং উপশিরা যে ভাবে সজ্জিত থাকে তাকে শিরাবিন্যাস বা ভিনেশন বলে। শিরাবিন্যাস দুই ধরনের। এগুলো হলো-
১। জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ পাতার মধ্যশিরা, শিরা এবং উপশিরাগুলো যুক্ত হয়ে জালের মতো গঠন সৃষ্টি করলে তাকে জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে জালিকাকার শিরাবিন্যাস থাকে। একবীজপত্রী উদ্ভিদের মধ্যে কচু, কুমারিকা প্রভৃতিতে জালিকাকার শিরাবিন্যাস দেখা যায়। জালিকাকার শিরাবিন্যাস দুই ধরনের।
(i) একশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে জালিকাকার শিরাবিন্যাসে শিরা ও উপশিরাসহ একটি মাত্র মধ্যশিরা থাকে তাকে একশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- আম।
(ii) বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে জালিকাকার শিরাবিন্যাসে মধ্যশিরার মতো একাধিক শিরা থাকে তাকে বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস দুই ধরনের। এগুলো হলো-
অভিসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের অগ্রভাগে মিলিত হয় তাকে অভিসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- কুল বা বরই।
অপসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তে প্রসারিত হয় তাকে অপসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- পেঁপে।
২। সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ পাতার শিরাগুলো পরস্পর যুক্ত না হয়ে সমান্তরাল ভাবে অবস্থান করলে তাকে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। একবীজপত্রী উদ্ভিদে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস থাকে। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মধ্যে সুলতান চাপা উদ্ভিদে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দেখা যায়। সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দুই ধরনের।
(i) একশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে সমান্তরাল শিরাবিন্যাসে একটি মাত্র মধ্যশিরা থাকে তাকে একশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- কলা।
(ii) বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে সমান্তরাল শিরাবিন্যাসে একাধিক প্রধান শিরা থাকে তাকে বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দুই ধরনের।
অভিসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের শীর্ষে মিলিত হয় তাকে অভিসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- বাঁশ।
অপসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তে বিস্তৃত হয় তাকে অপসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- তাল।
শিরাবিন্যাস । সমান্তরাল শিরাবিন্যাস কত প্রকার ও কী কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
পাতার শিরাগুলো পরস্পর যুক্ত না হয়ে সমান্তরাল ভাবে অবস্থান করলে তাকে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। একবীজপত্রী উদ্ভিদে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস থাকে। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মধ্যে সুলতান চাপা উদ্ভিদে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দেখা যায়। সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দুই ধরনের।
(i) একশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে সমান্তরাল শিরাবিন্যাসে একটি মাত্র মধ্যশিরা থাকে তাকে একশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- কলা।
(ii) বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে সমান্তরাল শিরাবিন্যাসে একাধিক প্রধান শিরা থাকে তাকে বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দুই ধরনের।
অভিসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের শীর্ষে মিলিত হয় তাকে অভিসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- বাঁশ।
অপসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তে বিস্তৃত হয় তাকে অপসারী বহুশিরাল সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- তাল।
শিরাবিন্যাস । জালিকাকার শিরাবিন্যাস কত প্রকার ও কী কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
পাতার মধ্যশিরা, শিরা এবং উপশিরাগুলো যুক্ত হয়ে জালের মতো গঠন সৃষ্টি করলে তাকে জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে জালিকাকার শিরাবিন্যাস থাকে। একবীজপত্রী উদ্ভিদের মধ্যে কচু, কুমারিকা প্রভৃতিতে জালিকাকার শিরাবিন্যাস দেখা যায়। জালিকাকার শিরাবিন্যাস দুই ধরনের।
(i) একশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে জালিকাকার শিরাবিন্যাসে শিরা ও উপশিরাসহ একটি মাত্র মধ্যশিরা থাকে তাকে একশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- আম।
(ii) বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে জালিকাকার শিরাবিন্যাসে মধ্যশিরার মতো একাধিক শিরা থাকে তাকে বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস দুই ধরনের। এগুলো হলো-
অভিসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের অগ্রভাগে মিলিত হয় তাকে অভিসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- কুল বা বরই।
অপসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাসঃ যে বহুশিরাল শিরাবিন্যাসে পত্রফলকের গোড়া থেকে একাধিক প্রধান শিরা উৎপন্ন হয়ে ফলকের ভিন্ন ভিন্ন প্রান্তে প্রসারিত হয় তাকে অপসারী বহুশিরাল জালিকাকার শিরাবিন্যাস বলে। যেমন- পেঁপে।
পত্রবিন্যাস কী । Phyllotaxy কী
যে পদ্ধতিতে কান্ড বা শাখা-প্রশাখায় পাতা সজ্জিত থাকে তাকে পত্রবিন্যাস বলে। পত্রবিন্যাস তিন ধরনের। একান্তর (ধান, গম), প্রতিমুখ পেয়ারা) এবং আবর্তক (রক্তকরবী, ছাতিম)।
পাতা । পাতা কত প্রকার ও কী কী । Type of Leaf । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
সরল পাতা (Simple leaf)ঃ যে পাতায় একটি পত্রফলক থাকে তাকে সরল পাতা বা একক পাতা বা simple leaf বলে। সরল পাতা বা একক পাতা তিন প্রকার।
১। অখন্ডিত পাতাঃ যে সরল পাতার পত্রফলক খন্ডবিহীন তাকে অখন্ডিত পাতা বলে। যেমন- আম।
২। কর্তিত পাতাঃ যে সরল পাতার পত্রফলকের প্রান্ত সামান্য খন্ডিত তাকে কর্তিত পাতা বলে।
৩। খন্ডিত পাতাঃ যে সরল পাতার পত্রফলক অধিক খন্ডিত তাকে খন্ডিত পাতা বলে।
যৌগিক পাতাঃ যে পাতায় একাধিক পত্রক বা পিনা থাকে তাকে যৌগিক পাতা বা পড়সঢ়ড়ঁহফ ষবধভ বলে। যেমন- সজিনা, লজ্জাবতি, গোলাপ, কামিনি, নিম, কৃঞ্চচুড়া, রাধাচুড়া, ধৈঞ্চা প্রভৃতি। যৌগিক পাতা দুই প্রকার। পক্ষল যৌগিক পাতা এবং করতলাকার যৌগিক পাতা।
১। পক্ষল যৌগিক পাতা (Compound leaf)ঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রকগুলো পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের উভয় পাশে যুক্ত থাকে তাকে পক্ষল যৌগিক পাতা বা pinnate compound leaf বলে। বিভিন্ন ধরনের পক্ষল যৌগিক পাতা হলো-
(i) এক পক্ষল যৌগিক পাতাঃ যে যৌগিক পাতার র্যাকিস অশাখ বা শাখাবিহীন তাকে এক পক্ষল যৌগিক পাতা unipinnate compound leaf বলে। এক পক্ষল যৌগিক পাতা দুই ধরনের। এগুলো হলো-
অচুড় পক্ষল যৌগিক পত্রঃ যৌগিক পাতার র্যাকিসের চুড়ায় কোন পত্রক না থাকলে তাকে অচুড় পক্ষল যৌগিক পাতা বলে। যেমন- বাঁদর লাঠি।
সচুড় পক্ষল যৌগিক পত্রঃ যৌগিক পাতার র্যাকিসের চুড়ায় পত্রক থাকলে তাকে সচুড় পক্ষল যৌগিক বলে। যেমন- গোলাপ।
(ii) দ্বিপক্ষল যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতার র্যাকিস থেকে শাখা বের হয় এবং শাখার উভয় পাশে পত্রকগুলো সাজানো থাকে তাকে দ্বিপক্ষল যৌগিক পাতা বা Bipinnate compound leaf বলে। যেমন- কৃঞ্চচুড়া ও লজ্জাবতী।
(iii) ত্রিপক্ষল যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতার র্যাকিসের শাখা থেকে প্রশাখা বের হয় এবং প্রশাখার উভয় পাশে পত্রকগুলো সাজানো থাকে তাকে ত্রিপক্ষল যৌগিক পাতা বা Tripinnate compound leaf বলে। যেমন- সজিনা।
(iv) অতি যৌগিক পত্রঃ যে সব যৌগিক পাতা তিন এর অধিক বার খন্ডিত হয়ে বিচিত্র খন্ডযুক্ত হয় তাকে অতি যৌগিক পত্র বা decompound বলে। যেমন- ধনে পাতা।
২। করতলাকার যৌগিক পাতাঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রকগুলো পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে যুক্ত থাকে তাকে করতলাকার যৌগিক পাতা বা Palmate compound leaf বলে। করতলাকার যৌগিক পাতা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
(i) একফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে একটি মাত্র পত্রক থাকে তাকে একফলক যৌগিক পাতা বা Unifoliate leaf বলে। যেমন- লেবু।
(ii) দ্বি-ফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে দুইটি পত্রক থাকে তাকে দ্বি-ফলক যৌগিক পাতা বা Bifoliate leaf বলে। যেমন- হিঙ্গন।
(iii) ত্রিফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে তিনটি পত্রক থাকে তাকে ত্রিফলক যৌগিক পাতা বা Trifoliate leaf বলে। যেমন- আমরুল।
(iv) চতুঃফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে চারটি পত্রক থাকে তাকে চতুঃফলক যৌগিক পাতা বা Quadrifoliate leaf বলে। যেমন- শুশনি।
(v) বহুফলক যৌগিক পত্র ঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে পাঁচ বা ততোধিক পত্রক থাকে তাকে বহুফলক যৌগিক পাতা বা Multifoliate leaf বলে। যেমন- শিমুল।
পাতা । করতলাকার যৌগিক পাতা কত প্রকার ও কী কী । Palmate compound leaf । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
যে যৌগিক পাতায় পত্রকগুলো পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে যুক্ত থাকে তাকে করতলাকার যৌগিক পাতা বা Palmate compound leaf বলে। করতলাকার যৌগিক পাতা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
(i) একফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে একটি মাত্র পত্রক থাকে তাকে একফলক যৌগিক পাতা বা Unifoliate leaf বলে। যেমন- লেবু।
(ii) দ্বি-ফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে দুইটি পত্রক থাকে তাকে দ্বি-ফলক যৌগিক পাতা বা Bifoliate leaf বলে। যেমন- হিঙ্গন।
(iii) ত্রিফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে তিনটি পত্রক থাকে তাকে ত্রিফলক যৌগিক পাতা বা Trifoliate leaf বলে। যেমন- আমরুল।
(iv) চতুঃফলক যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে চারটি পত্রক থাকে তাকে চতুঃফলক যৌগিক পাতা বা Quadrifoliate leaf বলে। যেমন- শুশনি।
(v) বহুফলক যৌগিক পত্র ঃ যে যৌগিক পাতায় পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের শীর্ষে পাঁচ বা ততোধিক পত্রক থাকে তাকে বহুফলক যৌগিক পাতা বা Multifoliate leaf বলে। যেমন- শিমুল।
পক্ষল যৌগিক পাতা কত প্রকার ও কী কী । Compound leaf । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
যে যৌগিক পাতায় পত্রকগুলো পত্রাক্ষ বা র্যাকিসের উভয় পাশে যুক্ত থাকে তাকে পক্ষল যৌগিক পাতা বা pinnate compound leaf বলে। বিভিন্ন ধরনের পক্ষল যৌগিক পাতা হলো-
(i) এক পক্ষল যৌগিক পাতাঃ যে যৌগিক পাতার র্যাকিস অশাখ বা শাখাবিহীন তাকে এক পক্ষল যৌগিক পাতা unipinnate compound leaf বলে। এক পক্ষল যৌগিক পাতা দুই ধরনের। এগুলো হলো-
অচুড় পক্ষল যৌগিক পত্রঃ যৌগিক পাতার র্যাকিসের চুড়ায় কোন পত্রক না থাকলে তাকে অচুড় পক্ষল যৌগিক পাতা বলে। যেমন- বাঁদর লাঠি।
সচুড় পক্ষল যৌগিক পত্রঃ যৌগিক পাতার র্যাকিসের চুড়ায় পত্রক থাকলে তাকে সচুড় পক্ষল যৌগিক বলে। যেমন- গোলাপ।
(ii) দ্বিপক্ষল যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতার র্যাকিস থেকে শাখা বের হয় এবং শাখার উভয় পাশে পত্রকগুলো সাজানো থাকে তাকে দ্বিপক্ষল যৌগিক পাতা বা Bipinnate compound leaf বলে। যেমন- কৃঞ্চচুড়া ও লজ্জাবতী।
(iii) ত্রিপক্ষল যৌগিক পত্রঃ যে যৌগিক পাতার র্যাকিসের শাখা থেকে প্রশাখা বের হয় এবং প্রশাখার উভয় পাশে পত্রকগুলো সাজানো থাকে তাকে ত্রিপক্ষল যৌগিক পাতা বা Tripinnate compound leaf বলে। যেমন- সজিনা।
(iv) অতি যৌগিক পত্রঃ যে সব যৌগিক পাতা তিন এর অধিক বার খন্ডিত হয়ে বিচিত্র খন্ডযুক্ত হয় তাকে অতি যৌগিক পত্র বা decompound বলে। যেমন- ধনে পাতা।
সরল পাতা কত প্রকার ও কীকী । Type of Leaf । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
যে পাতায় একটি পত্রফলক থাকে তাকে সরল পাতা বা একক পাতা বা simple leaf বলে। সরল পাতা বা একক পাতা তিন প্রকার।
১। অখন্ডিত পাতাঃ যে সরল পাতার পত্রফলক খন্ডবিহীন তাকে অখন্ডিত পাতা বলে। যেমন- আম।
২। কর্তিত পাতাঃ যে সরল পাতার পত্রফলকের প্রান্ত সামান্য খন্ডিত তাকে কর্তিত পাতা বলে।
৩। খন্ডিত পাতাঃ যে সরল পাতার পত্রফলক অধিক খন্ডিত তাকে খন্ডিত পাতা বলে।
পাতার অংশ কীকী । Leaf । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
১। পত্রমূলঃ পাতার যে অংশ কান্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে পত্রমুল বা leaf base বলে। পত্রমূল কান্ডকে বেষ্টন করে রাখলে তাকে কান্ডবেষ্টক বলে। যেমন- ধান, গম, আখ, ভূটা, কাউন, বার্লি, সুপারী, তাল, পাম ইত্যাদি। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। পত্রবৃন্তঃ পাতার বোটাকে পত্রবৃন্ত বা petiolate বলে। বোটা না থাকলে তাকে বৃন্তহীন বা sesile পাতা বলে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। পত্রফলকঃ পাতার পাতলা, চ্যাপ্টা ও প্রসারিত সবুজ অংশকে পত্রফলক বা lamina বলে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। উপপত্রঃ পত্রমুল থেকে যে ক্ষুদ্র অঙ্গ সৃষ্টি হয় তাকে উপপত্র বা stipule বলে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। মুক্তপার্শ্বীয় উপপত্রঃ পত্রমুলের দুই পাশে উপপত্র মুক্ত অবস্থায় থাকে। যেমন- জবা।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। মঞ্জরীপত্রঃ পুষ্পের গোড়ায় বা মঞ্জরীদন্ডের পর্ব সন্ধিতে যে পাতা থাকে তাকে মঞ্জরীপত্র বলে। যেমন-কলা, সূর্যমুখী প্রভৃতি।