১। মানুষের দেহ থেকে EPO জিন পৃথক করা হয়।
২। EPO জিনকে প্লাজমিডের সাথে যুক্ত করে রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরী করা হয়।
৩। রিকম্বিনেন্ট DNA-কে পোষক কোষে প্রবেশ করানো হয়।
৪। রিকম্বিনেন্ট DNA-সহ পোষককে আবাদ মাধ্যমে জন্মানো হয়।
৫। পোষক থেকে EPO পৃথক করে ওষুধ তৈরী করা হয়। কিডনী রোগীকে ইনজেকশনের মাধ্যমে EPO পুশ করলে রক্তশুন্যতা দূর হয়।