গঠনের উপর ভিত্তি করে তরুণাস্থিকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ গুলো হলো–
১। স্বচ্ছ বা হায়ালিন তরুণাস্থিঃ এ তরুনাস্থির ম্যাটিক্স স্বচ্ছ, দৃঢ়, নমনীয়, সমসত্ত¡, নীলাভ ও স্থিতিস্থাপক। ইহা পেরিকনড্রিয়াম আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। এতে কোন তন্তু থাকে না। এতে ল্যাকুনা নামক গহ্বর থাকে। ল্যাকুনার ভিতরে কনড্রোসাইট বা কনড্রোব্লাস্ট থাকে। স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাক, শ্বাসনালী, স্বরযন্ত্র, পর্শুকার প্রান্তভাগ, অস্থিসন্থি এবং মেরুদন্ডি প্রাণীর ভ্রুণে এই তরুণাস্থি থাকে।
২। পীততন্তুময় তরুণাস্থিঃ এ তরুণাস্থির ম্যাটিক্স অস্বচ্ছ, স্থিতিস্থাপক এবং হালকা হলুদ বর্ণের। এতে পীত বর্ণের তন্তু ছড়ানো থাকে। তন্তু গুলো শাখান্বিত এবং বিক্ষিপ্ত ভাবে অবস্থান করে। ইহা পেরিকনড্রিয়াম আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। এতে ল্যাকুনা নামক গহ্বর থাকে। ল্যাকুনার ভিতরে কনড্রোসাইট বা কনড্রোব্লাস্ট থাকে। ইহা বহিঃকর্ণ, পিনা, আলজিহ্বা, ইউস্টেশিয়ান নালী, ইপিগøটিস, স্বরযন্ত্র, লসিকার অগ্রভাগ প্রভৃতিতে থাকে।
৩। শ্বেতন্তুময় তরুণাস্থিঃ এ তরুণাস্থির ম্যাটিক্স অস্বচ্ছ এবং বর্ণহীন। এতে শ্বেত বর্ণের তন্তু থাকে। তন্তু গুলো শাখাবিহীন এবং সমান্তরাল ও গুচ্ছাকারে অবস্থান করে। ইহা পেরিকনড্রিয়াম আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। এতে ল্যাকুনা নামক গহ্বর থাকে। ল্যাকুনার ভিতরে কনড্রোসাইট বা কনড্রোব্লাস্ট থাকে। ইহা সন্ধি এবং কশেরুকার মধ্যবর্তী স্থানে থাকে।
৪। ক্যালসিফাইড বা চুনময় তরুণাস্থিঃ এ তরুণাস্থির ম্যাটিক্সে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট থাকে। এর ম্যাটিক্স অস্থির মতো শক্ত। ইহা হিউমেরাস ও ফিমারের মস্তকে থাকে।