মুখ হতে মুখের সাহায্যে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। প্রথমে আহত ব্যক্তিকে পিঠের উপর ভর দিয়ে সোজা চিৎ করে শোয়াতে হবে। গলা, ঘাড় ও বুকের কাপড় ঢিলা করে দিতে হবে।

২। রোগীর মুখের ভিতর কোন বহিরাগত বস্তু থাকলে আঙ্গুল দিয়ে তা বের করে নিতে হবে। মুখের ভিতর পানি বা শ্লেষ্মা থাকলে মাথা কাত করে বের করে দিতে হবে।

৩। রোগীর ঘাড়ের নিচে এক হাত এবং অপর হাত থুতনিতে দিয়ে উপরের দিয়ে উঠিয়ে ধরতে হবে। এতে জিহ্বা গলার মধ্যে আটকে থাকলে তা ছুটে যাবে এবং বায়ু প্রবাহের পথ উন্মুক্ত হবে।

৪। উদ্ধারকারীর এক হাত রোগীর কপালের উপর রেখে ঐ হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলী ও তর্জনী দ্বারা রোগীর নাকের উভয় ছিদ্রকে এমনভাবে চেপে ধরতে হবে যাতে কোন ফাঁক না থাকে এবং বাতাস বের হতে না পারে।

৫। এরপর মুখে মাস্ক লাগিয়ে রোগীর মুখে জোড়ে জোড়ে বাতাস ঢুকানোর চেষ্টা করতে হবে যেন ফুসফুসে বাতাস পৌছে যায়। ছোট বা শিশুদের জন্য বাতাসের চাপ মৃদু হতে হবে।

৬। প্রতি মিনিটে ২০ বার ফুঁ দিতে হবে এবং যতক্ষণ রোগীর হৃৎস্পন্দন চালু না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে।

৭। রোগীর বুকের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, বুক উঠা-নামা করতে শুরু করলে মুখে বাতাস প্রবেশ করানো বন্ধ করতে হবে। রোগীকে এই অবস্থায় এক থেকে দেড়ঘন্টা রাখতে হবে। পরে পরিস্থিতি বুঝে চিকিৎসকের নিকট নিতে হবে।

কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের উদ্দেশ্য কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। পানিতে ডোবা, ঘাড় ও মাথায় আঘাত, বৈদ্যুতিক আঘাত, কার্বন মনোঅক্সাইডের বিষক্রিয়া প্রভৃতি সংকটময়কালে জীবন রক্ষার জন্য কৃত্রিম শ্বাসক্রিয়া অতীব জরুরী।

২। ব্যথানাশক ওষুধ সেবন এবং রোগীর দুর্বলতার কারণে ডায়াফ্রাম ও ঐচ্ছিক পেশি নিঃসাড় হয়ে গেলে।

৩। হৃৎপিন্ড সবল থাকা সত্তে¡ও শ্বাসক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে।

৪। অক্সিজেনের অভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের হার অত্যন্ত কমে গেলে।

৫। মস্তিস্কের কোষ দ্রুত হারে নিঃসাড় হয়ে গেলে।

৬। ফুসফুস এবং হৃৎপিন্ডের প্রাণশক্তি বজায় রাখার জন্য।

৭। ভ‚মিকম্প ও জলোচ্ছাসের সময়।

৮। হার্ট অ্যাটাক বা হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে।

কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস কী । Artificial Respiration। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

দেহের স্বাভাবিক শ্বাসক্রিয়া ব্যাঘাত হলে যে কৌশলে কৃত্রিমভাবে দেহের শ্বসন অঙ্গে বাতাস সরবরাহ করে গ্যাস বিনিময় ঘটানোর মাধ্যমে বহিঃশ্বসন ও অন্তঃশ্বসন চালু রাখা হয় তাকে কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাস বলে। এ জন্য CPR (Cardiopulmonary Resuscitation) বা হৃৎ-ফুসফুসের পূণঃজাগরণ চিকিৎসা পদ্ধতি খুবই উপযুক্ত। যে ব্যক্তি ঈচজ দেবেন তাকে রেসকিওর (জবংপঁৎ) বা উদ্ধারকর্মী বলে। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, সমাজকর্মী, পুলিশ, দমকল বাহিনী, সেনাবাহিনীর সদস্য যে কোন ব্যক্তি প্রশিক্ষণ নিয়ে রেসকিওর হতে পারে। কৃত্রিম শ্বাসক্রিয়াকে দুইটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। হস্তচালিত পদ্ধতি ও যান্ত্রিক পদ্ধতি।

ধুমপায়ী মানুষের ফুসফুসের এক্স-রে বৈশিষ্ট্য । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। ফুসফুসের আকার বৃদ্ধি পায়।

২। অ্যালভিওলাসের সংখ্যা কমে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, কালচে বর্ণ ধারণ করে।

৩। ফুসফুসে কালো দাগ থাকে।

৪। ফুসফুস এবং অ্যালভিওলাসের প্রাচীর নষ্ট হয়ে যায়।

৫। ফুসফুসের অন্তঃপ্রাচীরের সিলিয়া নষ্ট হয়ে যায়।

৬। ফুসফুসের এক্স-রে ফিল্ম সম্পূর্ণ কালো না এবং ছাপের মতো ঝাপসা।

৭। ফুসফুসে কোন ফাঁকা স্থান বা এমফাইসিমা দেখা যায়।

৮। ক্যান্সার ও টিউমারের মতো উপবৃদ্ধি থাকে।

অধুমপায়ী মানুষের ফুসফুসের এক্স-রে বৈশিষ্ট্য কী কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। ফুসফুসের আকৃতি স্বাভাবিক থাকে।

২। অ্যালভিওলাসের সংখ্যা স্বাভাবিক থাকে।

৩। ফুসফুসে কালো দাগ থাকে না।

৪। ফুসফুস এবং অ্যালভিওলাসের প্রাচীর স্বাভাবিক ও সবল।

৫। ফুসফুসের অন্তঃপ্রাচীরে স্বাভাবিক সিলিয়া বিদ্যমান।

৬। ফুসফুসের এক্স-রে ফিল্ম কালো এবং সকল অঞ্চল স্বচ্ছ ও পরিষ্কার।

৭। ফুসফুসে কোন ফাঁকা স্থান বা এমফাইসিমা দেখা যায় না।

৮। ক্যান্সার ও টিউমারের মতো কোন উপবৃদ্ধি থাকে না।

ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রের তুলনা । Comparison of X-ray film of Lung । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

মানুষের বক্ষগহŸরে হালকা গোলাপী বর্ণের স্পঞ্জের মতো দুইটি ফুসফুস থাকে। ইহা CO2 ও O2 এর বিনিময় ঘটায়। ধুমপানের ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বিড়ি ও সিগারেটে নিকোটিন, টার, আর্সেনিক, মিথেন, অ্যামোনিয়া, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড ইত্যাদি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এসব রাসায়নিক পদার্থ ফুসফুসের ক্ষতি করে। ধুমপায়ী এবং অধুমপায়ীর ফুসফুসের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। যেমন-

১। সাদা-কালো দাগঃ অধুমপায়ীর ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রের কালো ও সাদা দাগের মধ্যে সুস্পষ্ট দাগ দেখা যায়। ধুমপায়ীর ফুসফুসে কালো দাগগুলো অস্পষ্ট হয়ে যায়।

২। স্বচ্ছতাঃ অধুমপায়ীর ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে অ্যালভিওলাইয়ে সুষম স্বচ্ছতা দেখা যায় না। ধুমপায়ীর ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে অ্যালভিওলাইয়ে সুষম স্বচ্ছতা দেখা যায়।

৩। প্রাচীরঃ অধুমপায়ীর ফুসফুস ও অ্যালভিওলাসের প্রাচীর স্বাভাবিক ও সবল। ধুমপায়ীর ফুসফুস ও অ্যালভিওলাসের প্রাচীর পাতলা ও দুর্বল।

৪। এমফাইসিমাঃ সিগারেটের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাস ধ্বংস করে ভিতরে ফাঁকা স্থান সৃষ্টি করে। একে এমফাইসিমা বলে। অধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে এমফাইসিমার চিহ্ন দেখা যায় না। ধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে এমফাইসিমার চিহ্ন দেখা যায়। এ রোগে ফুসফুসের শ্বসন অঞ্চল কমে যায় এবং স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায়।

৫। ক্যান্সার কাষঃ অধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ দেখা যায় না। ধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ দেখা যায়। বিষাক্ত নিকোটিন ও টার ফুসফুসে ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করে। ৯০% ফুসফুসীয় ক্যান্সার ধুমপানের কারণে হয়।

৬। সিলিয়াঃ অধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে অ্যালভিওলাসের প্রাচীরের সিলিয়া গুলো স্বাভাবিক। ধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে অ্যালভিওলাসের প্রাচীরের সিলিয়া গুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতে ট্রাকিয়ায় মিউকাস জমে প্রদাহের সৃষ্টি করে। একে ব্রংকাইটিস বলে।

৭। টিউমারঃ অধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে টিউমারের চিহ্ন দেখা যায় না। ধুমপায়ীদের ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র টিউমার উপবৃদ্ধি দেখা যায়।

৮। বংশগতিঃ ধুমপায়ী মহিলাদের বন্ধ্যা হওয়ার এবং সন্তান বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অধুমপায়ীদের তেমন সম্ভাবনা নাই।

ওটিটিস মিডিয়া কী । ওটিটিস মিডিয়ার কারণ, লক্ষণ, সমস্যা,চিকিৎসা ও প্রতিকার । AOM । Otitis Media। Acute Otitis Media । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

মধ্যকর্ণের সংক্রমণজনিত প্রদাহকে ওটিটিস মিডিয়া বা দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বলে। কানের পর্দা এবং ইউস্টেশিয়ান নালিতে ওটিটিস মিডিয়া হয়। এ রোগে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়।

ওটিটিস মিডিয়ার প্রকারভেদ (Type of Otitis Media)
শিশুদের তিন ধরনের ওটিটিস মিডিয়া হয়।
১। স্বল্পস্থায়ী বা অ্যাকিউট ওটিটিস মিডিয়াঃ এই রোগ ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে নিরাময় হয়।
২। দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক ওটিটিস মিডিয়াঃ এই রোগ নিরাময়ে দীর্ঘ সময় লাগে।
৩। অ্যাডহেসিভ ওটিটিস মিডিয়াঃ এই রোগে কানের পর্দা কর্ণাস্থির সাথে আটকে যায় এবং রোগী বধির হয়ে যায়।

ওটিটিস মিডিয়া কাদের বেশি হয়
১। চার থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের।
২। যে সব শিশুকে নিচু স্থানে শুইয়ে বোতলের দুধ খাওয়ানো হয়।
৩। যে সব স্থানে একসাথে অনেক শিশু বেড়ে ওঠে সেসব শিশুদের।
৪। পরিবারে কারো কানে সংক্রমণ হলে শিশুদের সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৫। ধুমপান ও বায়ু দুষণপূর্ণ পরিবেশে বসবাসকারী শিশুরা।

ওটিটিস মিডিয়ার কারণ (Causes of Otitis Media)
১। Respiratory Syncytial Virus (RSV) নামক ভাইরাসের কারণে ওটিটিস মিডিয়া রোগ হয়।
২। Streptococcus pneumoniae, Haemophilus influenzae, Morarella catarrhalis প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়ার কারণে ওটিটিস মিডিয়া রোগ হয়।
৩। মধ্যকর্ণের ইউস্টেশিয়ান নালি ফুলে গেলে।
৪। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে, ঠান্ডা লাগলে এবং কানে সংক্রমণ হলে।
৫। অ্যাডেনয়েড ফুলে গেলে এই রোগ হতে পারে।

ওটিটিস মিডিয়ার লক্ষণ (Symptoms of Otitis Media)
শিশুদের লক্ষণ
১। শিশুদের কানে ব্যথা হয়।
২। কান টানাটানি করে।
৩। মধ্যকর্ণে তরল পদার্থ জমে।
৪। অতিরিক্ত কান্নাকাটি করে।
৫। ঘুম হয় না।
৬। বিরক্ত হয়।
৭। শরীরে জ্বর থাকে।
৮। তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী সে. বা ১০৪ ডিগ্রী ফাঃ হয়।
৯। নাক দিয়ে পানি ঝরে।
১০। কান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত তরল পদার্থ বের হয়।
১১। মাথা ব্যথা হয়।

বয়স্কদের লক্ষণ
১। বয়স্কদের কানে ব্যথা হয়।
২। কানে চাপ অনুভ‚ত হয়।
৩। কানের পর্দা ফুটো হয়ে যায়।
৪। কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হয়।
৫। ইউস্টেশিয়ান নালির প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
৬। মধ্যকর্ণে তরল পদার্থ জমে।
৭। কান বন্ধ হয়ে যায়।
৮। কানে কম শোনে।
৯। নাক দিয়ে পানি ঝরে।
১০। কাশি হয়।
১১। শরীরে জ্বর থাকে।
১২। তাপমাত্রা ৩৮০ সে. বা ১০৪০ ফাঃ হয়।
১৩। মাথা ঝিম ঝিম করে।
১৪। প্রচন্ড মাথা ব্যথা হয়।
১৫। খাবারে অরুচি হয়।

ওটিটিস মিডিয়ার জটিলতা (Complecations of Otitis Media)
১। কর্ণপটহ বা টিমপেনিক পর্দা ছিদ্র হয়ে যায়।
২। মধ্যকর্ণ থেকে তরল পদার্থ বের হয়।
৩। কান বন্ধ হয়ে যায় এবং কানে কম শোনে।
৪। শিশুরা বিলম্বে কথা বলতে শিখে।
৫। শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে বধির হয়ে যেতে পারে।

ওটিটিস মিডিয়ার চিকিৎসা (Treatment of Otitis Media)
১। সংক্রমিত কানে নরম ও উঞ্চ কাপড় দিয়ে চাপ দিলে ব্যথা উপশম হয়।
২। ব্যথা বেশি হলে শিশুকে হালকা কাজ করালে আরামবোধ হয়। যেমন- জোড়ে বই পড়া, ব্যায়াম করা, খেলাধুলা করা ইত্যাদি।
৩। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন, ড্রপ ব্যবহার, অ্যান্টিহিস্টাসিন, অ্যান্টিবায়োটিক প্রভৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪। টিমপেনোস্টোমি টিউব ব্যবহার করে ৬ মাসের মধ্যে পুঁজ বের হওয়া বন্ধ করা যায়।

ওটিটিস মিডিয়ার প্রতিকার (Prevention of Otitis Media)
১। শিশুদের প্রি-ইমিউনোকক্কাল ভ্যাক্সিন দিতে হবে।
২। শিশুদের ১২ মাস মায়ের দুধ পান করাতে হবে।
৩। বোতলে দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুকে উচু করে ধরে খাওয়াতে হবে।
৪। নাকে যাতে পানি প্রবেশ না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৫। বায়ু দুষণ থেকে দূরে থাকতে হবে।
৬। ধুমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশুদের ধুমপান মুক্ত এলাকায় রাখতে হবে।

ওটিটিস মিডিয়ার প্রতিকার । Prevention of Otitis Media । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। শিশুদের প্রিইমিউনোকক্কাল ভ্যাক্সিন দিতে হবে।

২। শিশুদের ১২ মাস মায়ের দুধ পান করাতে হবে।

৩। বোতলে দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুকে উচু করে ধরে খাওয়াতে হবে।

৪। নাকে যাতে পানি প্রবেশ না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৫। বায়ু দুষণ থেকে দূরে থাকতে হবে।

৬। ধুমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশুদের ধুমপান মুক্ত এলাকায় রাখতে হবে।

ওটিটিস মিডিয়ার চিকিৎসা । Treatment of Otitis Media । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। সংক্রমিত কানে নরম উঞ্চ কাপড় দিয়ে চাপ দিলে ব্যথা উপশম হয়।

২। ব্যথা বেশি হলে শিশুকে হালকা কাজ করালে আরামবোধ হয়। যেমনজোড়ে বই পড়া, ব্যায়াম করা, খেলাধুলা করা ইত্যাদি।

৩। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন, ড্রপ ব্যবহার, অ্যান্টিহিস্টাসিন, অ্যান্টিবায়োটিক প্রভৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। টিমপেনোস্টোমি টিউব ব্যবহার করে মাসের মধ্যে পুঁজ বের হওয়া বন্ধ করা যায়।

ওটিটিস মিডিয়ার জটিলতা কী কী । Complecations of Otitis Media। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। কর্ণপটহ বা টিমপেনিক পর্দা ছিদ্র হয়ে যায়।
২। মধ্যকর্ণ থেকে তরল পদার্থ বের হয়।
৩। কান বন্ধ হয়ে যায় এবং কানে কম শোনে।
৪। শিশুরা বিলম্বে কথা বলতে শিখে।
৫। শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে বধির হয়ে যেতে পারে।