Pteris-এর স্পোরাঞ্জিয়ামের গঠন । Structure of Pteris Sporangium

Pterisএর পত্রকের নিচের দিকে কিনারা বরাবর প্লাসেন্টা বা অমরা হতে স্পোরাঞ্জিয়া উৎপন্ন হয়। স্পোরাঞ্জিয়া গুলো মিলে বাদামী বর্ণের বৃক্কাকার সোরাস গঠন করে। প্রতিটি স্পোরাঞ্জিয়াম দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত।

১। বৃন্ত বা স্পোরাঞ্জিওফোরঃ প্রতিটি স্পোরাঞ্জিয়ামের গোড়ায় খাটো অংশ থাকে। একে বৃন্ত বা স্পোরাঞ্জিওফোর বলে।

২। ক্যাপসিউলঃ স্পোরাঞ্জিয়ামের উপরের অংশকে ক্যাপসিউল বলে। ক্যাপসিউলের অংশ হলো-

(i) অ্যানুলাসঃ ক্যাপসিউলের প্রাচীরে কাইটিন নির্মিত যে পুরু আবরণী থাকে তাকে অ্যানুলাস বলে। ইহা একস্তর বিশিষ্ট, স্থিতিস্থাপক এবং পানিগ্রাহী।

(ii) স্টোমিয়ামঃ ক্যাপসিউলের প্রাচীরে পাতলা আবরণী বিশিষ্ট যে বলয় থাকে তাকে স্টোমিয়াম বলে। ইহা স্পোর নির্গমণে সাহায্য করে।

(iii) স্পোরঃ ক্যাপসিউলের ভিতরে স্পোরোজেনাস কোষ থাকে। স্পোরোজেনাস কোষ হতে ১৬টি স্পোর মাতৃকোষ উৎপন্ন হয়। প্রতিটি স্পোর মাতৃকোষ মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে ৪টি করে স্পোর সৃষ্টি করে। অর্থাৎ ১৬টি স্পোর মাতৃকোষ থেকে ৬৪টি স্পোর উৎপন্ন হয়। স্পোর গুলো গাঢ় বাদামী বর্ণের, দ্বিস্তরী এবং জার্মপোরযুক্ত। স্পোরগুলো সমরেণুপ্রসু বা হোমোস্পোরাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *