অনৈচ্ছিক পেশি দেখতে মাকু আকৃতির। অর্থাৎ এর মধ্যভাগ চওড়া এবং উভয় প্রান্ত সরু। এর দৈর্ঘ্য ১৫-২০০ মাইক্রোমিটার এবং ব্যাস ৮-১০ মাইক্রোমিটার।
১। সারকোলেমাঃ পেশির আবরণীকে সারকোলেমা বলে। অনৈচ্ছিক পেশিতে সারকোলেমা অস্পষ্ট।
২। সারকোপ্লাজমঃ পেশির সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। সাইকোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। এর সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। প্রতিটি কোষে একটি করে নিউক্লিয়াস এবং অসংখ্য মায়োফাইব্রিল নামক তন্তু থাকে।
৩। নিউক্লিয়াসঃ প্রতিটি পেশিকোষে একটি নিউক্লিয়াস। ইহা কোষের জৈবিক কাজ করে।
৪। মায়োফাইব্রিলঃ কোষের দৈর্ঘ্য বরাবর মায়োফাইব্রিল তন্তু থাকে। মায়োফাইব্রিল তন্তুগুলো অ্যাকটিন ও মায়োসিন ফিলামেন্ট দ্বারা গঠিত। অ্যাকটিন ও মায়োসিন ফিলামেন্ট গুলোকে একত্রে সারকোমিয়ার বলে।