ইন্টারফেরন উৎপাদন ।। ইন্টারফেরন উৎপাদনের ধাপসমুহ

১।  টার্গেট জিন নির্বাচন পৃথকীকরণঃ মানুষের ফাইব্রোব্লাস্ট কোষ থেকে DNA সংগ্রহ করা হয়। DNA থেকে ইন্টারফেরন কোড বহনকারী জিন (ইন্টারফেরনবিটা) পৃথক করা হয়।

২। বাহক নির্বাচনঃ টার্গেট জিন বহন করার জন্য বাহক নির্বাচন করা হয়। প্লাজমিড DNA বাহক হিসেবে কাজ করে।

৩। প্লাজমিড DNA কে নির্দিষ্ট স্থানে কর্তনঃ রেস্ট্রিকশন এনজাইম প্রয়োগ করে বাহক প্লাজমিড DNA হতে নির্দিষ্ট অংশ কেটে ফেলা হয়।

৪। রিকম্বিন্যান্ট DNA তৈরীঃ লাইগেজ এনজাইম দ্বারা ইন্টারফেরন জিনকে বাহক প্লাজমিড DNA এর সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। ফলে রিকম্বিন্যান্ট DNA তৈরী হয়ে যায়।

৫।  রিকম্বিন্যান্ট DNA কে পোষক দেহে প্রবেশ করানোঃ রিকম্বিন্যান্ট DNAকে পোষক E. coli ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশ করানো হয়। ব্যাকটেরিয়ার কোষে রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রবেশ করানোর প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমেশন বলে।

৬। রিকম্বিন্যান্ট DNA এর সংখ্যা বৃদ্ধিঃ রিকম্বিন্যান্ট DNAকে পোষক কোষে প্রবেশ করানোর পর পোষক ব্যাকটেরিয়াকে কালচার মিডিয়ামে আবাদ করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যে কালচার মিডিয়ামে ব্যাকটেরিয়া সংখ্যা বৃদ্ধি করে হাজার হাজার কপি তৈরী করে। সেই সঙ্গে রিকম্বিন্যান্ট DNA তৈরী হয়। এসময় ব্যাকটেরিয়া আবাদ মাধ্যমে ইন্টারফেরন নিঃসৃত করে।

৭। ইন্টারফেরন পৃথকীকরণঃ আবাদ মাধ্যম থেকে ইন্টারফেরন পৃথক করা হয়। এরপর রাসায়নিক উপায়ে বিশুদ্ধ করা হয়।

প্রতিটি ঈস্ট কোষে এক মিলিয়ন (১০ লক্ষ) অণু ইন্টারফেরন তৈরী হয়। E. coliএর ভিতরে 1×105 অণু ইন্টারফেরন তৈরী হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *