১। ফ্রন্টাল অস্থিঃ ফ্রন্টাল হলো ঝিনুকের মতো আকার বিশিষ্ট একটি কপালাস্থি। এতে দুটি অক্ষিকোটর ও নাক থাকে। এতে দুই জোড়া ঢিবি রয়েছে। এক জোড়া কপালে এবং অন্য জোড়া ভ্রুর।
২। প্যারাইটাল অস্থিঃ চারকোণা প্লেটের মতো ২ টি প্যারাইটাল অস্থি থাকে। এর বাইরের তলে একটি উঁচু অংশ আছে।
৩। অক্সিপিটাল অস্থিঃ অক্সিপিটাল অস্থি মহাবিবরের চারিদিক ঘিরে অবস্থান করে। এতে ফোরামেন ম্যাগনাম নামক ছিদ্র থাকে। অক্সিপিটাল অস্থিতে একটি খোলস অংশ, ২টি পার্শ্বীয় অংশ এবং একটি গোড়াদেশীয় অংশ থাকে। ইহা করোটিকাকে অ্যাটলাসের সাথে যুক্ত রাখে।
৪। টেমপোরাল অস্থিঃ করোটিকার দুই পাশে দুটি টেমপোরাল অস্থি বিদ্যমান। প্রতিটি অস্থি চারটি অংশ নিয়ে গঠিত। স্কোয়ামা, পেট্রোম্যাস্টয়েড, টিমপ্যানিক ও স্টাইলয়েড প্রসেস। এ অস্থিতে শ্রবণ অঙ্গ, শ্রুতি নালী, ক্যারোটিড নালী ও মুখমন্ডলীয় স্নায়ু নালী অবস্থান করে।
৫। এথময়েড অস্থিঃ এথময়েড হলো একটি স্পঞ্জি অস্থি। ইহা চক্ষুকোটর ও নাকের সেপ্টাম গঠন করে। ইহা ৬ টি প্লেট নিয়ে গঠিত। ১ টি ছিদ্রাল প্লেট, ১ টি অনুলম্ব প্লেট, ২ টি অক্ষিকোটর প্লেট এবং ২ টি ল্যাবিরিন্থ প্লেট। প্রতিটি ল্যাবিরিন্থ প্লেটে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বায়ু প্রকোষ্ঠ থাকে।
৬। স্ফেনয়েড অস্থিঃ স্ফেনয়েড হলো করোটিকার মেঝ গঠনকারী অস্থি। ইহা দেখতে বাদুর বা প্রজাপতির মতো। এতে একটি দেহকান্ড ও ৩ জোড়া বর্ধিত অংশ থাকে। এর উৎগত অংশ গুলো হলো বড় ডানা, ছোট ডানা এবং টেরিগয়েড প্রসেস।